জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে গত ২৩ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ইআরএল আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয় ৩১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি কোষাগার থেকে ১৮ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকা দিয়ে বাকি ১২ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মাধ্যমে অর্থায়ন হবে বলে ধরা হয়েছিল।

২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এখন বিদেশি ঋণ প্রক্রিয়ায় গেলে সময় আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আশঙ্কা।

কখনো সরকারি অর্থায়নে, কখনো বিদেশি ঋণে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা বলে ইতিমধ্যে এক যুগের বেশি সময় চলে গেছে। ‘ইনস্টলেশন অব ইআরএল-২’ নামে প্রকল্পটি প্রথম নেওয়া হয় ২০১২ সালে। এরপর অন্তত ১১ বার উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সংশোধিত হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। দীর্ঘ বিলম্বের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনুমোদন পেলেও অর্থায়ন কাঠামো আবার পরিবর্তনের মুখে পড়েছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews