একটা সময় মনে হচ্ছিল, অতীতের সব মার্কিন প্রেসিডেন্টের তুলনায় ডোনাল্ড ট্রাম্পই ইসরায়েলের প্রতি, বিশেষ করে নেতানিয়াহুর প্রতি সবচেয়ে বেশি সহানুভূতিশীল। বিশেষ করে ট্রাম্প ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসনে অংশ নিতে সম্মত হওয়ায় সেই ধারণা আরও জোরালো হয়েছিল। কারণ, তিনিই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে এখন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ স্থবির হয়ে পড়ায়, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের মতামত ছাড়াই ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে ট্রাম্পের আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলবিরোধী সমালোচনা তীব্র হওয়ায় সেই ধারণা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলে এখন এমন ধারণা তৈরি হয়েছে, নেতানিয়াহুর ‘ট্রাম্পকার্ড’ আগের মতো আর কাজ না–ও করতে পারে।

এটি এমন সময় হয়েছে, যখন নেতানিয়াহু নিজেই নানা চাপের মধ্যে আছেন। কারণ, আগামী অক্টোবরের শেষ দিকে তাঁকে জাতীয় নির্বাচনে লড়তে হবে। একই সঙ্গে নিজ দেশে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় বিচার চলছে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি সংঘাতের ঘটনা এখনো অমীমাংসিত।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews