দক্ষিণ পারস গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলাটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। এর লক্ষ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সরাসরি অংশগ্রহণ আরও গভীর করা এবং ইরানের সঙ্গে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সংঘাত উসকে দেওয়া। হামলার ঘোষণা দেওয়ার সময় ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন যে এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করেই করা হয়েছে। কিন্তু এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ভিন্ন সুরে কথা বলতে শুরু করেন।
ট্রাম্প ইসরায়েলি হামলার বিষয়ে নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় তিনি দ্বিতীয়বারের মতো ইসরায়েলের প্রতি অনুরোধ জানান, যেন তারা জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ রাখে। এর পরপরই বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে জানালেন যে ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা ছিল না।
এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য স্পষ্ট করে দেয়, এটি হয় ইসরায়েলের আরেকটি সাজানো মিথ্যা অথবা এটি দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার একটি নাটক। ট্রাম্প হয়তো এর মাধ্যমে উপসাগরীয় দেশগুলোকে বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি হামলার বিষয়ে জানতেন না। একই সঙ্গে যেন ইরানও পাল্টা হিসেবে ওই দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোয় আঘাত না হানে।