কেনিয়ায় কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ভারি বৃষ্টি ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০৮ জনে পৌঁছেছে, জানিয়েছে দেশটির জাতীয় পুলিশ পরিষেবা।
৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া আকস্মিক বন্যায় পূর্ব আফ্রিকার এই দেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে। পানির তোড়ে বহু গাড়ি ভেসে গেছে, বিমান চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে এবং বৈদ্যুতিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার কারণে দেশজুড়ে ২৭০০-এর বেশি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
দেশের কিছু এলাকায় বৃষ্টিপাতের তীব্রতা কমলেও নিষ্কাশন ব্যবস্থা উপচে যাওয়ার কারণে জলাবদ্ধতা থেকে নতুন বন্যার ঝুঁকি এখনও রয়েছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ।
রাজধানী নাইরোবিতে ৬ ও ৭ মার্চ রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়। বন্যার পানির তোড়ে কয়েক ডজন গাড়ি ভেসে যায়, এবং পূর্ব আফ্রিকার বৃহত্তম বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হয়। এরপর থেকে পুরো মাসজুড়ে ভারি বৃষ্টি ও বন্যায় মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে।
আবহাওয়া ও পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে পূর্ব আফ্রিকা অঞ্চলে বন্যা ও খরার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। অল্প সময়ে অতিমাত্রায় বৃষ্টি হওয়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে। ২০২৪ সালের ‘ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন’-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই অঞ্চলে বিধ্বংসী বৃষ্টির আশঙ্কা আগের চেয়ে দ্বিগুণ বেড়েছে।
সূত্র: স্ট্রেইটস টাইমস
বিডি প্রতিদিন/মুসা