এমিলিয়া ক্লার্ক, হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। অভিনয় জগতে গত দেড় দশক ধরে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করছেন, যার উৎকৃষ্ট উদাহরণ ‘গেম অফ থ্রোনস’-এ ডেনেরিস টারগারিয়েনের ভূমিকায় অভিনয়।

চরিত্রটি তিনি নয় বছর ধরে দর্শকদের সামনে জীবন্ত করে রেখেছেন। কিন্তু জানেন কী, বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত এই ব্রিটিশ অভিনেত্রীর জন্ম বিট্রেনে হলেও তার শরীরের জিন কিন্তু অন্য কোনো দেশের, বিশ্বের অন্য প্রান্তের। ব্রিটিশ সংস্কৃতির শিকড় আঁকড়ে থাকা এ অভিনেত্রীর বংশপরম্পরায় একটি গোপন রহস্য রয়েছে। নিজেকে শ্বেতাঙ্গ পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত করলেও তার পূর্বপুরুষ কিন্তু ভারতের। ক্লার্কের প্রপিতামহীর সঙ্গে ঔপনিবেশিক আমলে এক ভারতীয়র সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। এবং সেটি পরিণয় পর্যন্ত গড়ায়। তাই বংশসূত্রে তিনি শ্বেতাঙ্গ নন। ইংল্যান্ডে ফিট হওয়ার জন্য, তার দাদিকে জৈবিক পিতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত কালো রং লুকানোর জন্য সব সময় হালকা মেকআপ ব্যবহার করতে হয়েছিল। সম্প্রতি ক্লার্ক তার ব্যক্তিগত জীবনের এ অংশ নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেছেন। ভ্যানিটি ফেয়ারের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ক্লার্ক বলেছেন, ‘তার (আমার দাদি) ত্বকের রং লুকিয়ে রাখতে এবং অন্য সবার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করাটা অবশ্যই অবিশ্বাস্যরকম কঠিন ছিল।’ অভিনেত্রীকে জোর দিয়ে বলা হয়েছিল যে, তার দাদি ‘ইংল্যান্ডের চেয়ে ভারতকে বেশি ভালোবাসতেন,’-এখানেই আটকে গিয়েছিলেন ক্লার্ক।

তিনি বলেন, ‘আমি আমার শরীরের সেই অংশটিকে ভালোবাসি, আমি আসলে এক-অষ্টমাংশ ভারতীয়।’ ঠিক এ কারণে এমিলিয়া ক্লার্ক নিজেকে ভারতীয় ভাবতেও ভালোবাসেন। তিনি তার পূর্ব শিকড়কে কখনোই ভুলে যেতে চান না। তাই পশ্চিমা সংস্কৃতি সঙ্গে ভারতীয় সংস্কৃতির সংমিশ্রণ ঘটিয়ে চলার চেষ্টা করেন তিনি। তার মতে, এ ধরনের সংযোগ পারিবারিক বন্ধন আরও গভীর করে তোলে। যখন তার দাদি মারা যান, তখন ষোলো বছর বয়সি ক্লার্ক তার ছাই ছড়িয়ে দিতে ভারতে ভ্রমণ করেছিলেন। এদিকে কাজের সূত্রে এমিলিয়া ক্লার্ককে ওনটফ্লিক্সের পারিবারিক কমেডি ‘দ্য টুইটস’-এ দেখা যাবে। ১৩ জুন এটি মুক্তি পাবে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews