ওমানে অনুষ্ঠিত পরোক্ষ আলোচনা শেষ হওয়ার পরই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানি তেল রপ্তানি বন্ধের লক্ষ্যে আরোপিত এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ১৪টি জাহাজকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানান, ইরান তেল থেকে প্রাপ্ত আয় ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডে অর্থ জোগাচ্ছে এবং দেশের ভেতরে দমন-পীড়ন আরও জোরদার করছে।

এক বিবৃতিতে পিগট বলেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানি সরকারের অবৈধ তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানায়, ইরানি তেল পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত ১৪টি জাহাজের সঙ্গে সব ধরনের লেনদেন নিষিদ্ধ করা হবে। এসব জাহাজের মধ্যে তুরস্ক, ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাহাজও রয়েছে।

এছাড়া এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ১৫টি প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির নামও ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্পের প্রথম প্রশাসনের পর থেকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরান থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে অন্যান্য সমস্ত দেশকে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুক্রবার ওমানে তার দেশের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ দূতদের সঙ্গে পরোক্ষভাবে সাক্ষাৎ করেন এবং বলেন যে সেখানে আলোচনার ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ দমনের পর এই আলোচনা শুরু হয়।

ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগের হুমকি দিয়েছিলেন এবং ইরানের উপকূলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews