এন সি পির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী বলেছেন. ওলামায়ে কেরামকে শুধু মসজিদের ইমামতি করলেই চলবে না তাদেরকে জাতির ইমামতির দায়িত্ব নিতে হবে। তারা যদি সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ঐক্য বদ্ধ হয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার ইমামতির জিম্মাদারী নেন তাহলে আমরা তাদের নেতৃত্বে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছি। তিনি বলেন, আমরা সরকারের শত্রু নই বন্ধু আমরা যে সকল কথা বার্তা বলি তা সরকারকে সতর্ক ও সহযোগিতার জন্য বিরোধিতার জন্য নয়।
পাটওয়ারী আরো বলেন, দেশ গড়তে দেওবন্দী, আহলে হাদীস, সুন্নি, জামায়াতসহ সকলে কয়েকটি বিষয়ের উপর ঐক্য বদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারি। রাজধনীর পুরানা পল্টন ডি সি সি হলে আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন আয়োজিত রক্তাক্ত জুলাই প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা সভায় নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন প্রধান আমীরে শরীয়ত আল্লামা আবু জাফর কাসেমী বলেন, আমরা দ্বিতীয় বার দেশ স্বাধীন করে কোন কিছুই পাইনি পাইনি। সরকারের উচিত জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত পরিবারকে যথাযথ পুর্নবাসন করতে হবে। ২৪-এর জুলাই যোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা না হলে পরিণাম শুভ হবে না।
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর আমীর মাওলানা মুহাম্মদ হোসাইন আকন্দের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি হারুন ইজহার, জাতীয় গনতান্ত্রীক পার্টি জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি মো.ফখরুল ইসলাম, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব:) মামহবুবুল আলম, লে. কর্নেল (অব:) হাসিনুর রহমান, ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স এর সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান, মাওলানা আবুল কাসেম কাসেমী, আলহাজ আলী মাকসুদ খান মামুন, আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম বাবুল, আলহাজ মনিরুজ্জামান মনির, জাতীয় ওলামা মুভমেন্ট এর সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ মাসুদ খান, মাওলানা আতাউর রহমান বিক্রমপুরী, মাওলানা সাইফুল ইসলাম, হাফেজ আবু দারদা ও হাফেজ আশরাফুল ইসলাম। রাশেদ প্রধান বলেন, দেশে আজ বাক-স্বাধীনতাটুকুও নেই তার প্রমান নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারীদের উপর দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা। সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। সবাই বলে অভ্যুত্থান আমি বলি অভ্যুত্থান নয় সামনে আসবে আরেকটি বিপ্লব।