এই ভোট স্থানান্তরের ঘটনা শুধু ভবানীপুরেই সীমাবদ্ধ ছিল না। রাজ্যের একাধিক আসনে একই চিত্র দেখা গেছে। এর মধ্যে উত্তর দমদম এলাকাও রয়েছে। এই কেন্দ্রের অন্তর্গত নিউ ব্যারাকপুরে দীর্ঘদিন ধরে সিপিএমের ভালো ভোটব্যাংক ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সেখানে জয় পায় বিজেপি। অথচ বামপন্থীরা সেখানে প্রার্থী করেছিল নতুন প্রজন্মের নেতা দীপ্সিতা ধরকে। তিনি পুরোনো নেতৃত্বের জায়গা নিতে উঠে আসছিলেন।
ভোটারদের দলবদল নতুন কিছু নয়। কিন্তু বাম ভোটারদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা। কারণ, সিপিএমের মতো দলগুলো মূলত সংগঠনভিত্তিক, যেখানে কর্মীরা আদর্শে বিশ্বাসী এবং অনেকেই ছাত্রজীবন থেকেই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। একসময় পশ্চিমবঙ্গে টানা ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকা এই দলগুলোর বিস্তৃত সংগঠনও ছিল।
তবু বিশেষজ্ঞ, ভোটার এবং বাম কর্মীদের মতে, বাম থেকে ডানপন্থায় ঝোঁকার এই প্রবণতা নতুন নয়। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তৃণমূলের হাতে বাম কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। সেই সময় থেকেই অনেক বাম সমর্থক বিজেপির দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন; কারণ তখন বিজেপি রাজ্যে শক্তি বাড়াচ্ছিল।