১১ বছর বয়সে মেসির শরীরে গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি ধরা পড়ে। চিকিৎসকেরা তাঁর পরিবারকে জানিয়েছিলেন, এই সমস্যা মেসির শারীরিক বৃদ্ধিতে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও ছিল বেশ ব্যয়বহুল। পরিবারের পক্ষে সেই খরচ চালানো সহজ ছিল না। ক্লাবগুলোর পক্ষেও দীর্ঘদিনের চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব হয়নি।
কিন্তু এসব বাধার পরও হোর্হে ছেলের ওপর বিশ্বাস হারাননি। মেসির চিকিৎসা চালিয়ে যেতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি ছেলের ফুটবল প্রতিভাকেও এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
সন্তানের সামনে কোনো দরজা বন্ধ হয়ে গেলে হতাশ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু হোর্হে মেসির গল্প থেকে অভিভাবকদের শিক্ষা হলো—একটি দরজা বন্ধ হয়ে গেলে চেষ্টা থামানো যাবে না। সন্তানের পাশে থাকতে হবে এবং নতুন দরজায় কড়া নাড়তে হবে।