বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়। এই লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে সুদহার কমানোর বিষয়টিও আলোচনায় ছিল।
মো. মোস্তাকুর রহমান গভর্নর হিসেবে যোগ দিয়ে নীতি সুদহার কমানোর উদ্যোগ নেন। তবে সে সময় ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর সেখান থেকে সরে আসেন। এরপর গত ৩০ জুন চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে সুদহারে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে স্বল্প সময়ের জন্য ঋণ দেয়, সেটাই হচ্ছে নীতি সুদহার। ইংরেজিতে বলে রেপো রেট। এটা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য মুদ্রানীতির একটি অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে পরিচিত।
জানতে চাইলে পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, এমনিতেই সুদহার কমে আসছিল। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদ কমানোর ফলে আরও কমে আসবে। সামষ্টিক অর্থনীতির স্বার্থে এটা কমানো হয়েছে। ফলে আমানতের সুদও কমবে। কোনো ব্যাংকের ঋণের সুদহার দশমিক ৫ শতাংশ, কোনো ব্যাংকের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।