সারাদিনে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন অসংখ্যবার। আপনি কখন কি করছেন, কখন কি চ্যাট করছেন, কখন কী সার্চ করছেন ডিলিট করলেও ফোন তা গোপনে সেভ করে রাখছে। আর এসব তথ্য কেউ না জানলেও গোপনে জানছে ডার্ক ওয়েব। আপনার ফোনের ব্যবহৃত অ্যাপই আপনার সব তথ্য বিক্রি করছে ডার্ক ওয়েব। আপনার তথ্য চলে যাচ্ছে হ্যাকারদের হাতে। অর্থাৎ আপনার প্রাইভেসি বলতে আসলে কিছুই বাকি নেই।
জানেন কি? একজন ব্যবহারকারীর ডিভাইস প্রতিদিন শতাধিক, হতে পারে কয়েকশোবার তার তথ্য ট্র্যাক করছে। লোকেশন চেক: ৩০-৫০ বার, সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল: ২০-৩০ বার প্রতি ১০ মিনিট, ব্রাউজিং/শপিং: ৫০-৬০ বার, ভয়েস/এআই কমান্ডস: ১০-২০ বার। মোটামুটি সাধারণ দিনে শতাধিক ডাটা পয়েন্ট সংগ্রহ হচ্ছে আপনার ব্যবহার অনুসারে।
জেনে নিন যেভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন
১. প্রাইভেসি সেটিংস ঠিক করুন : সোশ্যাল মিডিয়া ও অ্যাপের প্রাইভেসি সেটিংস নিয়মিত চেক করুন।
২. এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন ব্যবহার করুন : সিগন্যাল বা হোয়াটসঅ্যাপের মতো নিরাপদ মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করুন।
৩. প্রাইভেসি টুল ব্যবহার করুন : প্রাইভেসি বাডজার, ইউব্লক অরিজিন বা ব্রেভ/ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যবহার করুন।
৪. লোকেশন ট্র্যাকিং বন্ধ করুন : প্রয়োজন ছাড়া লোকেশন সেবা বন্ধ রাখুন।
৫. ভিপিএন ব্যবহার করুন : ভিপিএন ইন্টারনেট ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে আইপি লুকায়।
৬. অ্যাপ ও পারমিশন বেছে নিন : কেবল বিশ্বস্ত অ্যাপ ব্যবহার করুন এবং পারমিশন নিয়মিত চেক করুন।
৭. কুকিজ ও ব্রাউজিং ডাটা মুছে দিন : ইঙ্কগনিটো মোডে ব্রাউজ করুন, তবে লক্ষ্য রাখুন এটি সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দেয় না।
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ