লিভারপুল এবং চেলসির লড়াইটা এখন শুধু প্রিমিয়ার লিগে সেরা চারে থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আগামী মৌসুম নিশ্চিত করা। এজন্য শুধু নিজেদের জয় নয়, দুদলকেই তাকিয়ে থাকতে হবে অপরের হারের দিকেও। এমন পরিস্থিতিতে শনিবার রাতে আলাদা দুই ম্যাচে হেরেছে দুদলই, হাতছাড়া করেছে পয়েন্ট। ম্যাচ শেষে রীতিমতো হতাশা প্রকাশ করেছেন উভয় দলের কোচই।
সমীকরণ খুবই সহজ, প্রিমিয়ার লিগ থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা পায় প্রথম চার দল। চারে আছে অ্যাস্টন ভিলা, যাদের পয়েন্ট ৫১। লিভারপুল ৪৯ পয়েন্টে পাঁচে এবং চেলসি ৪৮ পয়েন্টে ছয়ে। লিভারপুল জিতে গেলে চলে যাবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের স্লটে, চেলসি জিতলে উঠে আসবে পাঁচে, কারণ ভিলার চেয়ে তারা গোলব্যবধানে এগিয়ে। অলরেডরা হারলে ব্লুজরা উঠে যাবে চারে, লিভারপুল নিচে নেমে যাবে। একই সমীকরণ যদি লন্ডনের ক্লাবটি হেরে যায়, সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল।
এই সহজ সমীকরণ পূরণ করতে এসে তুলনামূলক শক্তিতে পিছিয়ে থাকা দলের বিপক্ষে হেরে বসেছে দুদলই। ব্রাইটন হোভ অ্যালবিওনের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে আর্ন স্লটের শিষ্যরা এবং এভারটনের কাছে ৩-০ গোলে হেরেছে লিয়াম রোজেনিওরের শিষ্যরা।
ম্যাচ শেষে চলেসি কোচ লিয়াম বলেছেন ‘এপর্যন্ত সবচেয়ে হতাশাজনক সন্ধ্যা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যেভাবে আমরা হেরেছি এবং গত দুটি ম্যাচে যেভাবে হেরেছি, এই মুহূর্তে ক্লাবের জন্য সময়টা হতাশাজনক।’
‘হ্যাঁ, যে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছিলাম, যেমন গোল হজম না করা, খেলায় টিকে থাকা এবং খেলার নিয়ন্ত্রণ নেয়া। আর এই সবদিক বিবেচনা করলে এটাই সবচেয়ে হতাশাজনক সন্ধ্যা।’
একই পরিস্থিতি লিভারপুল কোচ স্লটেরও। ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘অবশ্যই এখন লিগ টেবিলের দিকে তাকালে, এই হারটা অনেক কষ্টদায়ক, পুরো দলের জন্য খুবই কষ্টদায়ক এটা। কিন্তু মূল সমস্যা হল, আমরা সেই অবস্থানে আছি, যেখানে উলভসের মাঠে শেষ মুহূর্তে একটি শটে আমরা এক পয়েন্ট হারিয়েছি।’
‘বলব, গত সপ্তাহে ৯০ মিনিটে টটেনহ্যামের করা ওই গোলটি ব্রাইটনের মাঠে হারের চেয়েও বড় সমস্যা।’ সেই ম্যাচে ঘরের মাঠে টটেহ্যামের বিপক্ষে ৯০ মিনিটে পর্যন্ত লিড ধরে রেখেও শেষে গোল হজম করে ড্র দেখতে হয়েছিল লিভারপুলকে।