মাহবুবুল হক

ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত দ্রুততার সাথে কিছু সামাজিক উন্নয়ণের কাজে হাত দিয়েছিলেন। আমাদের কাছে সে কাজ বা পরিকল্পনাগুলো ভালই লেগেছে। সামান্য হলেও দেশের হতদরিদ্র স্টেকহোল্ডারদের হাতে কিছু না কিছু পৌঁছেছে বা পৌঁছবে, এ ধরনের পজিটিভ চিন্তা করে আমরা এখনও আস্বস্ত হয়ে দোয়া-খায়ের করছি।

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের মাসিক বেতন-ভাতা: অতীত, নিকট অতীত এবং বর্তমানে এ উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি কী মানবেতর ও বেহাল অবস্থায় রয়েছে রাষ্ট্রের কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীসহ গৃহকর্তিগণ ভালোভাবে অবগত আছেন। বিশেষ করে, মফস্বল শহর-বন্দরসহ জেলা, থানা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাষ্ট্রের মালিকগণ (মূল মালিক তো মহান আল্লাহ- সেটাতো আমরা সেভাবে বিবেচনা করি না)।

প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন বাড়িতে গিয়ে আহার গ্রহণ করা বা আহার নিয়ে আসা : বাস্তব কারণেই এ প্রথাটি এখনও রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আধুনিক মননে নতুনভাবে চিন্তা-ভাবনা করা দরকার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণ নিজেদের গ্রামের মসজিদে কাজ করার সুযোগ পান না। এর নানাবিধ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উপাদান বিরাজমান থাকে। পূর্বে ইমাম ও মুয়াজ্জিন যারা হতেন, তারা সাধারণত উচ্চস্তরের শিক্ষাগ্রহণকারী ছিলেন না। মোটামুটি মধ্যমমানের শিক্ষা গ্রহণকারীরাই মসজিদ সংলগ্ন ফোরকানিয়া মাদরাসায় চাকরি গ্রহণ করতেন। ইমামতি ইসলামি বিধানে কোনো পেশা নয়। কিন্তু কালক্রমে এটা পেশা হিসেবে দাঁড়ায়। ইমামগণ ও মুয়াজ্জিনগণ শিক্ষক হিসেবেই বেতন-ভাতা গ্রহণ করে আসছেন। মসজিদের ব্যবস্থাপনায় থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত না থাকায় এই বাড়ি-বাড়ি গিয়ে খাওয়ার ব্যবস্থা সম্পন্ন করার বিষয়টির উদ্ভব হয়। স্থান-কাল-পাত্র ভেদে এই খাওয়া-দাওয়ার বিষয়টি নানাভাবে সম্পন্ন ও নিষ্পন্ন হয়ে আসছে। গত ১শ’ বছরের নানারকম পরিবর্তন-পরিবর্ধন-সংকোচন-বিয়োজন ঘটেছে। যেমন সকাল ও বিকালের নাস্তা বাস্তবতার পরিপেক্ষিতে নানা ব্যঞ্জনায় রূপান্তরিত হয়। ইদানিংকালে যারা মুয়াজ্জিন ও ইমাম পদে চাকরি-বাকরি গ্রহণ করছেন তাদের মধ্যে বেশির ভাগই হলেন, মাদরাসা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চস্তর অতিক্রম করা শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে যাঁরা মেধাবী তাঁরা আবার বিসিএসসহ নানা পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা, আইন, বি এড, এম এড এসকল পেশাগত পড়াশোনা ও অধ্যয়নেও নিয়োজিত হন। অর্থাৎ নানা উচ্চতর পেশায় অংশগ্রহণের জন্য প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষা-দীক্ষায় ব্যস্ত থাকেন। এ ধরনের নবতর রূপান্তরকে পূর্বে মফস্বল ও গ্রাম অঞ্চলের মানুষ খুব পজেটিভ দৃষ্টিভঙ্গিতে নিতে পারতেন না। পরিবর্তন বা রূপান্তরকে নেগেটিভ দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখতেন। তাদের কথা ছিলো মসজিদ কেন্দ্রিক এতো বেশি কিছু প্রয়োজন নেই। ইমাম ও মুয়াজ্জিন শুদ্ধভাবে নামায, মসজিদের পরিচ্ছন্নতা, আজান প্রদান, মৃত্যুজনিত নানা রিচ্যুয়াল-প্রথা-আচার, বিয়ে-শাদী, দোয়া, মিলাদ, পানিপড়া, তাবিজ-তুমার, ইতাদি সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে পারেন কি-না সেটাই দেখার বিষয়ছিলো। বক্ষমান লেখনিতে আমরা যা বলার চেষ্টা করছি তা’ কম-বেশি পরম্পরাগতভাবে সবাই অবগত আছেন।

যুগ যুগ ধরে স্থানীয় কৌশলে কোনো বড় ধরনের ব্যবস্থাপনা ছাড়াই মসজিদ কেন্দ্রিক ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন হয়ে আসছে। অর্থের স্বল্পতা বা আর্থিক টানাটানি বর্তমান সময়ে প্রবাসিদের দ্বারাই বিভিন্নভাবে ঘাটতি পূরণ হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সরকার বা স্থানীয় সরকারের খুব বেশি একটা সংযোগ, যোগাযোগ বা মনিটরিং-এর কথা সাধারণ্যে অনালোচিতই থাকতো।

ওয়াকফ বোর্ডের বিশাল ও ব্যাপক কর্মসূচি থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দুর্নীতির ফেরে পড়ে তা এখন অনেকটাই সংকোচিত হয়ে পড়েছে। ওয়াকফ’র দাপট এখন অনেকটাই শীতল। ওয়াকফের অধীনের মসজিদের অবস্থান থাকা সত্ত্বেও মসজিদ কমিটির অবস্থান রয়েছে। জনগণের ইচ্ছায় মসজিদ কমিটি, মসজিদ ও মাদরাসা ক্ষেত্রভেদে এতিমখানার পরিচালনা করছে। বিষয়টি ভালো কি মন্দ সে কাঠখোট্টা বিবেচনায় আমরা যাচ্ছি না। কিন্তু বিষয়টি যে অন্যায়, ন্যায় বহির্ভূত তা’ কে অস্বীকার করবে।

ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের দৈনন্দিন খানাপিনার বিষয়টি আমাদের সামনে ওঠে আসলেও এর কোনো নিশ্চিত সুরাহা হয়নি। বিশেষ করে আধুনিক ইমামগণ উপর্যুক্ত বিষয়ে সন্তুষ্ট হতে পারছেন না। বিষয়টিকে তারা শোভন বলে মনে করছেন না। এর একটা বিকল্প ব্যবস্থা আড়ালে-আবডালে চলতে থাকলেও নিশ্চিতভাবে সুরাহা করার জন্য কেউ এগিয়ে আসছেন না।

আচ্ছা একটা ভিন্ন কথা বলি, কেউ কিছু মনে করবেন না। ইমাম সাহের না থাকলে কী হয়? কখনও কখনও সব মসজিদে এ ধরনের একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তখন তাৎক্ষণিকভাবে যে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় তাতেই তো আল্লাহর রহমতে সময় মতই নামায আদায় হয়ে যায়। ইমাম সাহেব নেই বলে নামায বা জামায়াত বন্ধ থাকে না। কাউকে না কাউকে জোর করে হলেও ইমাম বানানো হয় । ইসলামি বিধান, খেলাফতের যুগ, পরবর্তীতে উমাইয়া ও আব্বাসী আমলে, তারও পরে অটোমান তুর্কিদের আমলে চাকরিজীবী ইমাম সবসময় ছিলো না। সমাজের যিনি ‘উলিল আমর বা উলিল আমরের সদস্য বা উলিল আলবাব এরাই মসজিদের জামায়াতে ইমামতি করতেন। জামায়াত আদায়ের জন্য কোনো নির্ধারিত কর্মচারী ছিলো না। সমাজ ছিলো মসজিদ কেন্দ্রিক। ৫ ওয়াক্ত নামাযের সময় মুসলিম ও মুমিনগণ গুরুতর অসুস্থ হওয়া ছাড়া অথবা কর্মব্যাপদেশে বাধ্যবাধকতায় এলাকার বাইরে অবস্থান করা ছাড়া কেউ কখনও মসজিদের জামায়াত থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতেন না। ধর্মীয় দিক থেকে এলাকায় যারা সিনিয়র ছিলেন, গন্যমান্য ছিলেন এবং সর্বোপরি কুরআনের আলোকে উচ্চতর পর্যায়ে ছিলেন তারাই মসজিদে ইমামতি করতেন। এটাই ছিলো ইসলামের সৌন্দর্য, মসজিদের সৌন্দর্য, নামাযের সৌন্দর্য। একটু গভীরভাবে চিন্তা করলেই বিষয়টা আমাদের কাছে একেবারেই সহজ-সরল সমাধানের দিকে নিয়ে যায়। যিনি আজান দেবেন তাঁর তো ‘উলিল আমর’ হওয়ার কথা নয়। তিনি বড়জোর ‘উলিল আলবাব’ হতে পারেন। নির্দিষ্ট ইমাম না থাকলে এবং তৎক্ষণাৎ মসজিদে ‘উলিল আমরে’র কোনো উপস্থিতি না থাকলে আজানদানকারী মুয়াজ্জিন সাহেব কি নামায পড়াচ্ছেন না? ইমামতি করছেন না? পূর্বেও করতেন। এখনও করেন। ইসলাম হলো স্বাভাবিকতার জীবন-বিধান। সমাধানের দরজা ইসলামে বিপুল। স্বাভাবিক চিন্তার মাধ্যমে, আকলের মাধ্যমে, বিবেচনার মাধ্যমে, বিবেকের মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান আপসে-আপ চলে আসে।

আমরা যদি চাকরি প্রদানের মাধ্যমে ইমাম নিযুক্ত করি তাহলে এখন যেমন ইমাম মুয়াজ্জিন সাহেবরা মসজিদ কমিটির কর্মচারী হয়ে যান, ঠিক তেমনি কোনো খেলাফতকে বা আমলকে দোষারোপ না করেও বলা যায়, সে সব ইমামদের মধ্যে যারা সত্যের উপাসক ছিলেন তাদেরকে সব আমলেই নির্যাতিত, নিষ্পেষিত, অত্যাচারিত হতে হয়েছে। তাদেরকে জীবন মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হয়েছে। কত ইমামকে সত্যের উপাসক হিসেবে মৃত্যুমুখে পতিত হতে হয়েছে। এখনও সৌদি আরবসহ মুসলিম বিশ্বের বহুজায়গায় মৃত্যু মুখে পতিত হতে হচ্ছে। বলা ভালো নয়, মুসলিমদের বড় বড় প্রায় সব ইমামই তাদের মুসলিম শাসকদের দ্বারা সবসময় নির্যাতিত ও অত্যাচারিত হয়েছেন। গত ১৭ বছরে এদেশের সত্যপন্থী ইমামগণ কতজন মৃত্যু মুখে পতিত হয়েছেন এবং কতজন বিভিন্ন ভাবে জুলুম-নির্যাতনের সম্মুখীন হয়েছেন সেই পরিসংখ্যান কার কাছে আছে?

আসলে গভীরভাবে চিন্তা করলে অনুধাবন করা যায় ওয়াক্তের নামাযের জন্য নির্দিষ্ট, চাকরিজীবী ইমাম নিয়োগের তেমন কোনো প্রয়োজন নেই। পূর্বে না হয় শিক্ষিত আলেম-ওলামার অভাব ছিলো অথবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে অর্থাৎ গ্রামে-গঞ্জে শিক্ষিত ইমামের অভাব ছিলো, এখনতো আর অভাব নেই। ১০ জন শিক্ষিত মানুষ একজায়গায় বসলে দেখা যাবে ৫ জন মাদরাসার উচ্চপর্যায় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চপর্যায় শেষ করেছে। এসব উচ্চশিক্ষিত মুমিনগণ স্বেচ্ছায় স্বপ্রণোদিত হয়ে যিনি যেখানেই অবস্থান করেন না কেন ওয়াক্তের জামায়াতে ইমামতি করতে পারেন। বিষয়টা কঠিন কিছু নয়।

আসলে আমরা মসজিদে কেন যাই? পাঠক সহজে জবাব দেবেন এটা কেনো প্রশ্ন হলো? কথাতো ঠিক। প্রশ্নের অযোগ্য প্রশ্ন করা হয়েছে। সহজ জবাব হলো আমরা মসজিদে জামায়াতের সহিত নামায আদায় করতে যাই। কিন্তু ইমাম-মুসল্লিসহ আমরা যে কয়জন মুসলিম ও মুমিন বান্দা নামায আদায় করি তাতে কি নামায আদায় হয়? আমাদের সহজ-সরল-স্বাভাবিক জবাব হলো হয় না। কারণ নামাযের ভেতরে আমরা মুখস্ত যা ‘পড়ি’ বা ‘বলি’ তার অর্থ আমরা জানি না। আমাদের বাপ-দাদারাও জানতেন না। দুঃখের সাথে বলতে হয় ইমাম সাহেব যদি হাফেজে কুরআন হন, সামান্য ব্যতিক্রম ছাড়া হাফেজগণদেরও অবস্থা আমাদেরই মতো, তাহলে কি দাঁড়ালো! অন্য ধর্মের পুরহিত, যাজক, ঠাকুররা যেমন নিজেরা যা বলেন তার অর্থ জানেন না, ঠিক তেমনি শিষ্যরাও একইভাবে না জেনেই, না বুঝেই, কোনো কিছু উপলব্ধি না করেই কিছু শব্দ বা বাক্য অযাচিতভাবে উচ্চারণ করেন। একটা যুক্তিহীন, অর্থহীন, খণ্ডিত প্রয়াস আমরা না জেনে, না বুঝে, খুব আনন্দের সাথে, তৃপ্তির সাথে, নামায আদায় করি। আমাদেরকে ভুল বুঝবেন না। যেসব বৃদ্ধ মানুষ জীবনের সন্ধ্যাকালে নামায আদায় করেন- তাদেরও যে বেশির ভাগ মুসল্লি, নামাযে আমরা কি বলি, কি ওয়াদা করি, কি শপথ করি, তার কোনো কিছুই পরিষ্কারভাবে জানি না। সত্যিকার অর্থে একটা মূর্খতার বিজয় অভিযান নিয়ে আমরা সদা ব্যস্ত। আমরা যত সহজভাবে কথাটি বললাম, তত সহজেই বিষয়টি অনুধাবন করা, উপলদ্ধি করা এবং হৃদয়ঙ্গম করা ততটাই কঠিন। মহান আল্লাহ তায়ালা কুরআনের ১০৭ নং সূরা মাউনে, ৪ নং থেকে ৭ নং আয়াতে বলেছেন, ‘ধ্বংস হোক, সেসব নামাযীরা যারা তাদের নামাযে উদাসীন, যারা লোক দেখানোর জন্য তা করে, এবং ছোট-খাট দানে বিরত থাকে। এই যে এখানে বলা হচ্ছে, ‘ধ্বংস হোক সেসব নামাযীরা যারা তাদের নামাযে উদাসীন’ -এই উদাসীনতার প্রকৃত অর্থ হলো, যারা না জেনে, না বুঝে, না উপলব্ধি করে নামায আদায় করে। আরবী ‘সাউন’ শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক। এর অর্থ শুধু উদাসীনতা বলে এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। এই উদাসীনতার অর্থ তিনি ঠিকভাবে অজু করেন নি, তিনি ঠিকভাবে পবিত্রতা অর্জন করেন নি, তিনি সঠিকভাবে পোশাক-আশাক পরেন নি, টুপি পরেন নি, দাঁড়ি রাখেন নি -এসব ছোট-খাট বিষয়। মূল বিষয় হলো তিনি না জেনে, না বুঝে নামায আদায় করছেন। এটাই তার মূল উদাসীনতা।

এই উদাসীনতা আমাদের উপলব্ধি করা দরকার এবং তা নিরসন করা দরকার। তা-না হলে আমরা ইহকাল ও পরকালে ব্যর্থ হয়ে যাব।

সুতরাং মসজিদে আমাদের শুধুমাত্র আরবি ভাষায় নামায শেখার জন্য ইমামের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন নামায শেখা, জানা, বুঝা বা উপলব্ধি করার জন্য শিক্ষক নিয়োগ করা। যে শিক্ষক হবেন নিয়মিত ও নির্দিষ্ট। যিনি প্রতি নামাযের পর ১০-১৫ মিনিট করে নামাযের অর্থ মাতৃভাষায় শেখাবেন।

ফোরকানিয়া মাদরাসার নামে এখনকার ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণ বেতন ও ভাতা গ্রহণ করছেন। কিন্তু যারা এই মাদরাসায় ফজরের পর কায়দা, কুরআন শিখছেন, মাসলা-মাসায়েল শিখছেন, নামায পড়া শিখছেন, সেখানে কিন্তু তারা মাতৃভাষায় নামাযের অর্থ শিখছেন না। সরকারের পক্ষ থেকে যদি খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে বেতন-ভাতা দিতে হয় তাহলে দিতে হবে নামাযের ও কুরআনের শিক্ষককে। এটাই জরুরি।

লেখক : প্রবীণ কলামিস্ট।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews