অধ্যাপক মুশতাক খান বলেন, ব্যাংক খাত থেকে যে চুরি হয়েছে, এটি ছোটখাটো সমস্যা নয়। সুসংগঠিত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় রাষ্ট্র দখলের মাধ্যমে এই চুরি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর থেকে পিয়ন পর্যন্ত সবাই জানত যে কী হচ্ছে। যেহেতু সিস্টেমের ভেতরে ৯৫ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত, তাই তারা একে অপরকে রক্ষা করতে তথ্য গোপন করছে। এই কাঠামোগত সমস্যার কারণে আসল তথ্য বেরিয়ে আসছে না।

প্রস্তাবিত ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ নিয়ে সরকার খুবই নিম্নমানের চালাকি করেছে বলে মন্তব্য করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন এ কে এম ওয়ারেসুল করিম। তিনি বলেন, অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ব্যাংক রেজোল্যুশনের সিদ্ধান্তের আলোকে তালিকাভুক্ত হওয়ার ‘অব্যবহিত পূর্বের’ বা সদ্য সাবেক শেয়ারধারীরা মালিকানায় ফেরার আবেদন করতে পারবেন। এটি অত্যন্ত রহস্যজনক। অর্থাৎ এর মাধ্যমে কুয়েত ফাইন্যান্স হাউসের মতো পুরোনো প্রতিষ্ঠানের মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তার পরিবর্তে যাঁরা অনৈতিক উপায়ে মালিকানা নিয়েছিলেন, তাঁদেরই আবার ফেরার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews