এরপর শফিকুর রহমান বলেন, ‘বলবেন যে জনগণ আপনাদের ভোট দিয়েছে, তার প্রমাণ কী? ৭০ ভাগ জনগণ “হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছে—এটাই তার প্রমাণ। আমরা “হ্যাঁ”-এর পক্ষে ছিলাম। আমরা “হ্যাঁ”-এর পক্ষে আছি। আমরা দেখিয়ে যাব, এই সংসদ মানুক আর না মানুক, গণভোটের রায় আমরা বাস্তবায়ন করব।’
জনগণের রায় বাস্তবায়নের জন্য বিরোধী দল সংসদ থেকে জনগণের কাছে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বলেন শফিকুর রহমান। গত শনিবার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের প্রথম কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এটা শুরু বলে জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, সংসদে সরকারি দল কথা বললে মনে হয় দেশে সোনার নহর বয়ে যাচ্ছে। তবে বিরোধী দল জ্বালানিসংকট নিয়ে কথা বলতে চাইলে নোটিশ আলোচনায় আসতে দেওয়া হয় না। তারা ভয় পায়, এর মাধ্যমে জনগণের কাছে সত্য প্রকাশ পেয়ে যাবে।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে এই মৌসুমে খামারিরা হাঁ করে চেয়ে আছেন। তাঁদের ফসলে সেচ করবেন, কিন্তু পানি নেই। এখন আবার খোলা তেলও দেয় না। কার্ড নিয়ে আসতে বলে। তাঁরা কার্ড আনবেন কীভাবে—এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি। দেশ খাদ্যঘাটতিতে পড়বে, বলেন তিনি।