চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্লে-অফ ফাইনালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে টাইব্রেকারে ৪–১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিয়েছে তারা।

ম্যাচ শেষে ইতালির কোচ জেন্নারো গাত্তুসো তার হতাশা গোপন করতে পারেননি। তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দলের জন্য বড় ধাক্কা।

খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে তিনি গর্বিত হলেও ফলাফল তাকে কষ্ট দিয়েছে। নিজের অনুভূতি বোঝাতে গিয়ে গাত্তুসো বলেন, তিনি যেন একপ্রকার অনুভূতিশূন্য হয়ে গেছেন—কষ্ট পেলেও তা ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারছেন না।

তিনি আরও জানান, এই জয়টি দল, খেলোয়াড় এবং তাদের পরিবারের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে রেফারিং বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলতে চাননি। তার মতে, ফুটবলে এমন ফল আসতেই পারে, কিন্তু তা মেনে নেওয়া কঠিন।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

চূড়ান্ত হলো বিশ্বকাপের ৪৮ দল ও ১২ গ্রুপ

চূড়ান্ত হলো বিশ্বকাপের ৪৮ দল ও ১২ গ্রুপ

গাত্তুসো বলেন, তার দল সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে এবং খেলোয়াড়রা হৃদয় দিয়ে লড়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয়নি। ব্যক্তিগতভাবেও তিনি ব্যর্থতার দায় অনুভব করছেন।

ইতালির একমাত্র গোলটি করেন ময়েস কিন, যিনি ম্যাচের ১৫ মিনিটে দারুণ ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে দেন। তবে ম্যাচের মাঝপথে একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড পেয়ে বের হয়ে যাওয়ায় ইতালি ১০ জনে পরিণত হয়, যা তাদের জন্য পরিস্থিতি কঠিন করে তোলে।

গাত্তুসো মনে করেন, এই হার তাদের প্রাপ্য ছিল না, কারণ দল কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু ফুটবলে জয়-পরাজয় থাকবেই। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু না বললেও জানান, এই মুহূর্তে সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়; সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল ইতালিকে বিশ্বকাপে তোলা, যা তারা করতে পারেননি।

সবশেষ ২০০৬ সালে বিশ্বকাপজয়ী ইতালির জন্য এই ব্যর্থতা আবারও তাদের ফুটবল কাঠামো ও পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। এক সময়ের শক্তিশালী দলটির জন্য এটি শুধু একটি হার নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews