ফলমন্ডির পাইকারি বাজারে এখন সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে হিমসাগর। প্রতি কেজির দাম ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। এরপর রয়েছে ল্যাংড়া। এ আমও বিক্রি হচ্ছে একই দামে। বারি-৪ পাওয়া যাচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। রুপালির দাম ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। কাটিমন ৭০ থেকে ৯০ টাকা। ব্যানানা ম্যাঙ্গো ৭০ থেকে ৯০ টাকা। সূর্য ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি।
মেসার্স সায়েম অ্যান্ড সাইফা এন্টারপ্রাইজে গিয়ে দেখা গেল, তাকজুড়ে সাজানো হিমসাগর, ল্যাংড়া ও রুপালি। তিনজন কর্মচারী ব্যস্ত আম ওজন করা আর ক্রেট গুছিয়ে রাখতে। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মোহাম্মদ সুমন বলেন, ঈদের আগে বাজারে আম কম ছিল। এখন সরবরাহ বেড়েছে। দামও কিছুটা নেমেছে। সামনে আরও কমার সম্ভাবনা আছে।
শুধু ব্যবসায়ীরাই নন, খুচরা বিক্রেতারাও এখন ফলমন্ডিমুখী। চকবাজারের ফল বিক্রেতা মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন পাঁচ ক্রেট হিমসাগর কিনেছেন। প্রতি কেজি পড়েছে ৫৫ টাকা। তিনি বলেন, ঈদের পর থেকেই ক্রেতারা আম খুঁজছেন। বিশেষ করে হিমসাগর। মিষ্টি আর রসালো হওয়ায় এ আমের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।