আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ সাহেদ প্রথম আলোকে বলেন, মামলার পর থেকে মুজিবুল হক পলাতক রয়েছেন। আদালত তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, মুজিবুল হক জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৫৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন। তিনি ১৯৯২ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবে প্রবাসে থাকলেও দেশে অর্থ পাঠানোর কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তদন্ত শেষে দুদক তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। ২০২৫ সালের ৩ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ রায় দেওয়া হয়।