রাজধানীর শ্যামলীতে আলোচিত কিডনি চিকিৎসক কামরুল ইসলামের হাসপাতালে যুবদল নেতা পরিচয় পাঁচ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ ওঠার পর শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে যান যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ একটি প্রতিনিধি দল।
স্বল্প খরচে কিডনি চিকিৎসা ও প্রতিস্থাপনের জন্য অধ্যাপক কামরুলের পরিচিতি রয়েছে। তার হাসপাতালে যুবদল পরিচয়ে স্থানীয় মঈন নামে এক ব্যক্তি ৫ লাখ টাকা দাবি করেছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এরপর সেখানে যান যুবদলের শীর্ষ নেতারা।
অধ্যাপক কামরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘৫ অগাস্ট পর শ্যামলীর চার নম্বর রোডের বাসিন্দা মঈন নামে এক ব্যক্তি হাসপাতালে খাবার সরবরাহের ঠিকাদারির কাজ নেন। কিন্তু মঈন খাদ্যপণ্যের অনেক বেশি দাম ধরছিলেন দেখে তাকে সম্প্রতি বাদ দেয়া হয়। আমি আমার রোগীদের খাবারের কোনো বিল ধরি না। এখানকার স্টাফরাও হাসপাতালের খাবার খান। খাবার-দাবারের অনেক বেশি টাকা দাম ধরছিল বলে তাকে বাদ দেয়া হয়। এরপর সে লোকজন নিয়ে এসে হাসপাতালের স্টাফদের সঙ্গে উচ্চবাচ্য শুরু করে, টাকা চায়।’
ওই ব্যক্তি কি নিজেকে যুবদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন কি না, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুন্নার এমন প্রশ্নে জবাবে অধ্যাপক কামরুল বলেন, ‘সে বলছে সে যুবদলের নেতা, কাউন্সিলর ইলেকশন করতে চায়।’
পরে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি ও আসলে আমাদের সংগঠনের কেউ না। এরা আমাদের সংগঠনের নাম ভাঙ্গায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন এসব বিষয়ে জিরো টলারেন্স। এসব ঘটনা ঘটলে আমরা কিন্তু কাউকে ছাড় দেই না।’
শেরেবাংলা নগর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম শনিবার সকালে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ বিষয়ে তাদের একটি লিখিত অভিযোগ দেয়ার কথা রয়েছে। তবে অভিযোগ না পেলেও অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনকে আটকের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’