এক.

এলোমেলো হাওয়ার মতো সে এলো। কিছুটা ঝড়ো প্রবণতা আছে। একগুচ্ছ জিজ্ঞাসা যখন তাকে ঝড়ো অস্থিরতায় নিয়ে যায়, তখন সে আসে। যখন এলো, জানতাম, প্রশ্নবৃষ্টি নিয়েই এসেছে। বলল, আপনি হৃদয়ের কথা বলেন। হৃদয়কে খুঁজে পেতে হবে। কিন্তু তাকে সংজ্ঞায়িত করতে পারি না যে! বললাম, যাকে তুমি সংজ্ঞায়িত করতে পারো না, তা হয় তোমার চেয়ে বড়, নয়তো তোমার চেয়ে গভীর।

হৃদয় আসলেই বড়। চেতনা তাকে খুঁজে ফিরছে। হৃদয়কে খোঁজার অর্থ হলো, নিজের অর্থবহতা খোঁজা। নিজেরে অর্থ সন্ধান পৃথিবীর চেয়ে বড়। কারণ আমাদের অর্থ পৃথিবীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; কিন্তু সন্ধানের আসল জায়গা এই পৃথিবী। এখানে নিজেকে না পেলে নিজেকে আবিষ্কার করার জন্য দ্বিতীয় পৃথিবী আর নেই।

সে বলল, নিজেকে খোঁজার এই দায়বদ্ধতার কাছে কেন বন্দী থাকতে হবে? এই দায়ের চেয়ে আমার কি মুক্তিটাই বেশি জরুরি নয়? বললাম, দায়মুক্তি কখনোই সম্পূর্ণতা নিয়ে আসে না। সে কেবল রূপান্তরিত হয় অন্য এক দায়বদ্ধতায়। সে বলল, এই দায় দায় খেলা কত মানুষকে মৃত্যু অবধি নিয়ে গেল। কোনো জবাব তো পেল না। বললাম, তারা দায় থেকে পালালেও মৃত্যু থেকে পালাতে পারত না। কিন্তু মৃত্যু তখন আরো বেশি অর্থহীনতার মধ্যে তাদেরকে খুঁজে পেত। অন্য দিকে যারা দায়িত্বকে উপলব্ধি করে নিজেকে সন্ধান করেছে, তারা সন্ধানীর মহিমা নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে পেরেছে। তারা বঞ্চিত হয়নি। তাদের মৃত্যু কোনো সমাপ্তি নয়; বরং আত্মজিজ্ঞাসার সর্বশেষ আভাস।

দুই.

সে বলল, এটিই সিদ্ধান্ত? এটিই ভাবনার অর্জন? বললাম, না সিদ্ধান্ত মানেই অর্জন নয়। বহু সিদ্ধান্ত বিসর্জনও হয়ে ওঠে। বলল, তাহলে আপনার মতামত দৃঢ় নয়? বললাম, দৃঢ় বটে। কিন্তু সত্যের শাখা-প্রশাখা ও ধরন বহু রকম। জ্ঞান বেড়ে উঠলে কোনো এক প্রকরণে আটকে থাকার মাত্রা কমে। অজ্ঞতা যত ঘন হয়, নিজের ভঙ্গিমার প্রতি দৃঢ়তা হয় তত প্রবল। সে বলল, কোনো এক প্রকরণের দৃঢ় বয়ানই কেবল জবাব বলে বিবেচিত হতে পারে। বললাম, তা ঠিক। যে জবাব আমরা নির্মাণ করি, তা আমাদের মতোই সীমাবদ্ধ। যে মানুষ নিজের ছায়াকে ভয় পায়, সে কখনো নিজের উপলব্ধি ও প্রকরণকে চূড়ান্ত দৃঢ়তা বলে দাবি করতে পারে না।

সে বলল, তাহলে আপনি কাকে বলেন ইয়াকিন? বললাম, ইয়াকিন সেই দৃঢ়তা, যা আমার সীমানা অতিক্রম করে পরমের সত্য থেকে ভাষা পায়। সেই ভাষা আমাতে রোপণ করে। এখানে আমার কোনো কাজ নেই। যখনই একে আমি নিজের মতো ব্যাখ্যা করি, তখনই সে হয়ে ওঠে প্রস্তাবনা। এই প্রস্তাবনার দুই পাশেই সত্য থাকতে পারে। এমনকি সত্য থাকতে পারে তোমার প্রশ্নেও, আমার জবাবেও। যে প্রশ্ন করে, সে অর্ধেক উত্তরও নিজের মধ্যে ধারণ করে। সে বলল, জবাবে যেহেতু সত্য আছে, তাহলে দৃঢ়তা থাকবে না কেন? বললাম, জবাবে তো ভুলও থাকতে পারে। ভুল করাই মানবিক, কিন্তু ভুলকে দৃঢ়তার দ্বারা নিজের পরিচয় বানিয়ে নেয়া আত্মঘাতী।

তিন.

সে ভবিষ্যৎ নিয়ে বিচলিত। স্বাভাবিক। কিন্তু আমি দেখেছি, ভবিষ্যৎ বলে কিছু নেই; আছে শুধু বর্তমানের নিত্য নবায়ন। কিন্তুসে কেন ভবিষ্যৎ অধিকার করতে চায়, জানতে চাইলাম। বলল, পৃথিবীটা গড়তে হবে। না হলেই নয়।

তরুণরা এমনই ভাবে। কিন্তু পৃথিবী গড়ার অর্থ শুধু গড়াই নয়, পৃথিবীর হাত দিয়ে নিজেদেরকে গড়াও বটে। বললাম, মানুষ তার বিরতিহীন যাত্রাপথে পৃথিবীকে সাজিয়ে তুলেছে ঠিক। কিন্তু তার পর সেই পৃথিবী মানুষকে গড়ে তুলেছে। ফলে তুমিই শুধু তাকে গড়বে, এটি নিশ্চিত নয়।

বলল, কিন্তু আমি ব্যাপারটি নিশ্চিত করব। বললাম, পৃথিবীতে যা সবচেয়ে নিশ্চিত, তা হলো অনিশ্চয়তা। কিন্তু এরই মধ্যে নিজের কাজ করে যেতে হবে। এর মধ্যে তোমার মোলাকাত হবে সম্ভাবনার সাথে।

জীবনপথে যা ঘটছে তাই আসল নয়; যা ঘটার সম্ভাবনা আছে, তারাই বাস্তবতার মূল স্থপতি। কিন্তু সম্ভাবনাটা প্রথমে খুঁজে নিতে হবে তোমার মধ্যে। তাকে দিয়েই শুরু করতে হবে গঠন। এর মানে হলো যখন পৃথিবী গড়তে চাও, কিন্তু নিজেকে গড়ছ না, তখন তুমি কিছুই করছ না। করছ কেবল সম্ভাবনার অপচয়।

চার.

সে বলল, আত্মমুখী হতে বলছেন আমাকে? বললাম, না। কারণ তা তারুণ্যের মনের সাথে যায় না। তারুণ্য বিশ্বাস করে, সমস্ত দিগন্তই তার অপেক্ষায়। কিন্তু আমি স্মরণ করাতে চাই, দ্রুতগামী বাতাসও ক্লান্ত হয়, যা তরুণরা কমই ভাবে। তারা আত্মাকে বানায় রাজা, শরীরকে সৈনিক। তাদের উচ্চকণ্ঠ সুরই মৌলিক। কারণ সত্যের খোঁজে প্রথম পদক্ষেপ সবসময়ই উচ্চকণ্ঠ হয়।

কিন্তু প্রথম পদক্ষেপই উপসংহার নয়। তোমাকে উপসংহারে যেতে হবে এবং জিততে হবে। কিন্তু জিততে গিয়ে কী হারাতে পারো, তাও বুঝতে হবে। তোমার সাহসকে অবশ্যই অভিনন্দন। কিন্তু সাহস ও বোকামির মধ্যে স্পষ্ট প্রাচীর থাকে না, বিশেষত তারুণ্যে।

সে বলল, যাকে বলছেন বোকামি, সেটি কি তারুণ্যের তৃষ্ণা নয়? বললাম, হ্যাঁ এবং না। তৃষ্ণাই তারুণ্যের প্রকৃত পরিচয়, পানি নয়। এই তৃষ্ণা তোমাকে নিয়ে যায় চাঁদ স্পর্শের অভিযাত্রায়। তারুণ্য চাঁদ স্পর্শ করার চেষ্টা না করলে আকাশও ম্লান হয়ে যায়।

কিন্তু তারুণ্য দায়িত্বও। সে প্রেমের হাত ধরে আসে। যে তরুণ দায়িত্ব ও প্রেমকে সন্দেহ করে, সে জীবনকেও দ্বিধা করে। যে তরুণ শুধু নিজেকে ভালোবাসে, সে নিজেকেও সত্যিকারে ভালোবাসতে পারে না। দায়িত্ব ছাড়া তারুণ্য শুধুই এক গরম বাতাস। যদি ঝরনাভরা পানিকে উপেক্ষা করে তৃষ্ণাকেই তৃপ্তি মনে করো, তাহলে নিজেকেই ভোগাতে হবে। যে তারুণ্য এই প্রজ্ঞাকে আলিঙ্গন করে না, তার তারুণ্যের সবচেয়ে বড় মিথ্যা হলো, ‘আমরা অজেয়’। বিশ্বাস, তারুণ্য, প্রেম ও দায়িত্বকে চূড়ান্ত গন্তব্যে নিয়ে যেতে অপেক্ষমাণ থাকে প্রজ্ঞা। তার হাত ধরলে তোমার ভেতর থেকে সে নিংড়ে নেবে আসল তোমাকে। তখন তুমি হতে পারবে শরিফ ওসমান হাদি। যে নিজে পোড়ে, অন্যকে পোড়ায়।

যদি তারুণ্য তোমাকে না পোড়ায়, তবে তুমি এখনো জেগে ওঠনি।

পাঁচ.

সে বলল, তারুণ্যের সাথে বিয়ের সম্পর্ক কী? বললাম, তারুণ্য সৃষ্টিশীলতার উচ্ছ¡াস, বিয়ে জীবনের স্থিতিশীলতার পরীক্ষা। তারুণ্যে আছে অজানা আনন্দ, বিয়েতে আছে জানা দায়িত্বের আনন্দ। যুবক প্রেমকে আবিষ্কার করে, বিয়ে প্রেমকে রক্ষা করতে শেখায়। তারুণ্য হলো শুরু, বিয়ে পূর্ণতা।

সে বলল, বিয়ের অর্থ কী? বললাম, বিয়ে হলো জীবনের ভারসাম্যের সমীকরণ : সুখ, দায়িত্ব ও বন্ধনের সমন্বয়। বিয়ে কেবল দুই ব্যক্তির নয়, দুই পরিবার ও দুই ঐতিহ্যের সংযোগ। বিয়ে মানে, নিজের একাকিত্ব কাউকে উপহার দেয়া। এখানে দু’জন যদি একে অপরের স্বপ্নের সাথে হাসে, তাহলে সংসার কখনো ক্লান্ত হবে না।

বিয়ে কেবল পুরুষ আর নারীর বন্ধন নয়। কারণ পুরুষ আর নারী- বিয়েতে তারা দুই থাকে না, হয়ে ওঠে তৃতীয় এক সত্তা।

সে বলল, বিয়েতে আংটির ভূমিকা কী? বললাম, বিয়ে শুধু দু’টি মুখের নয়; চারটি হাতেরও চুক্তি। যে হৃদয় বন্ধন বোঝে না, সে আংটির মর্মও জানে না। সময়ের নদী শুধু তাদেরই বইয়ে নিয়ে যায়, যারা চার হাতকে করে একীভূত সংসার।

তারা বলল, বিয়ের আকদ বা চুক্তিকে কিভাবে দেখেন?

বললাম, কপালে লেখা নামের মতো, বিয়ের চুক্তির শব্দরাও জন্মের আগ থেকে স্পন্দিত হচ্ছে। কিন্তু যে আকদ স্বপ্নের চেয়েও পুরনো, সে কখনোই কেবল সাক্ষীদের জন্য লেখা হয় না। এই চুক্তি এমন এক নৌকা, যা উত্তাল নদীতে প্রেম ও প্রতিজ্ঞার পাল তুলে চলে।

এখানে আকদ শুধু একটি বন্ধন নয়, সে দুটো দিগন্তকে একই সূর্যের অধীনে বেঁধে ফেলার সাহস। চুক্তির পাতায় কালি শুকায়; কিন্তু বন্ধন প্রতিদিন নতুন করে জন্ম নেয়।

এর মাধ্যমে দু’টি জীবন একে অপরের রহস্যে প্রবেশের অনুমতি দেয়, বিনিময়ে তৈরি করে একটি নতুন, কিন্তু চিরপুরাতন বিকাশসূত্র।

বিয়ের আকদ হলো প্রেমের পাথরে লেখা হৃদয়ের লিপি, সেখানে সময়ও তীর্থযাত্রী হয়ে যায়।

সে বলল, সংসারকে আমরা কিভাবে বুঝব? বললাম, সংসার মানে একে অপরের স্বপ্নের সিঁড়ি হওয়া। এটি খুব সহজ নয়। কারণ সংসার এমন এক পথ, যেখানে দু’জনেরই হাঁটু ক্ষয় হয়, তবুও এগোতে হয়। সব কিছু তোমার মতো হবে না। ভুলের কাছে হোঁচট খেতে হবে; কিন্তু একে অপরের ভুলগুলোতে রঙ লাগানোর নাম সংসার।

বিয়ের আসল সৌন্দর্য প্রকাশিত হতে শুরু করে প্রথম ঝগড়ার পর। সেখানকার অনবরত দায় ও যাত্রায় যারা নিজেদের হাসি হারায় না, তাদের সংসারও হারায় না। ফলে সংসার হলো প্রেমের সুতা, আর সহনশীলতা তার তাঁতশিল্প। এর মধ্য দিয়ে সে দুই পৃথক ভাগ্যকে এক মালায় গেঁথে রাখে।

সে বলল, বিয়ে তো প্রেম। কিন্তু বিয়েমুক্ত প্রেমই কি কম ঝামেলার নয়? বললাম, বিয়েকে ভয় পাচ্ছো ঝামেলা আছে বলে? কিন্তু যে প্রেমে লড়াই নেই, ঝামেলা নেই, সেই প্রেম নিঃস্ব, বৈচিত্র্যহীন। প্রেম যদি নদী হয়, তবে বিয়ে হলো স্থির হ্রদ। প্রেম জন্ম নেয় আকাক্সক্ষায়; বিয়ে জন্ম নেয় বন্ধনে। প্রেম দৃষ্টিকে আকর্ষণ করে; বিয়ে অন্তরকে। প্রেম হৃদয়ে জন্মায়; বিয়ে টিকে থাকে মগজে-মননে।

প্রেম হলো নিজেদের অনুভবের স্বাদ, বিয়ে হলো নিজেদের বিলীন করার শিল্প। প্রেম হলো চা; বিয়ে হলো তার সিদ্ধ হওয়া। দায়হীন প্রেম প্রতিশ্রুতিকে বহন করতে পারে না। কিন্তু বিয়ে হচ্ছে প্রেমের সেই প্রতিশ্রুতি, যাকে সময়ের পরীক্ষায় প্রমাণিত হতে হবে।

বিয়েকে উপেক্ষা করে প্রেম শরীরের কাতরানি, গন্তব্যহীন নৌকা। প্রেমের নৌকাকে বন্ধনের গন্তব্যে যেতে হয়, এটিই তার সাগরযাত্রা। কিন্তু যে বিয়ে প্রেমহীন, সেখানে প্রথা ও সুবিধার হিসাব-নিকাশ থাকে, দুই আত্মার সমঝোতা থেকে কোনো মহাকাব্য রচিত হয় না।

সে বলল, বিয়েতে আত্মা কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ? বললাম, আত্মা বিয়েতে না থাকলে সংসার মাটির মতো নমনীয় হবে না, ফলে সেখানে ফুটবে না কোনো ফুল। প্রেমের বিয়ে সৌন্দর্য; সৌন্দর্য মুগ্ধ করে। আত্মার বিয়ে চরিত্র; চরিত্র রক্ষা করে।

সে বলল, আত্মাকে দাওয়াত না করলে কি চলে না? বললাম, বিয়ের আসল কাজীর নাম আত্মা। তাকে দাওয়াত করতে হবেই। আত্মা যে বন্ধনে খুশি হয়, সেটিই প্রকৃত বিয়ে। ফলে বিয়ের শপথ কেবল জিহ্বার শব্দ নয়; সে হচ্ছে আত্মার মৌন একাত্মতা। বিয়ে শুধু শরীর বা সমাজের চুক্তি নয়; বরং আত্মিক সম্মতির মিলন। দু’টি আত্মা যখন একই বাতাসে শ্বাস নেয়, তখন আমরা তাকে বলি দাম্পত্য।

তুমি বিয়ে করছ। প্রেমকে বন্ধনে, বন্ধনকে দায়িত্বে, দায়িত্বকে স্থায়িত্বে, স্থায়িত্বকে উদযাপনে পরিণত করার যাত্রা শুরু। বিয়েকে বহন করো তার সমগ্র মর্ম দিয়ে। যে প্রেম ও বন্ধনে মর্মের স্রোত নেই, সেই বিয়ে নদীর চরে আটকে যায়।

ছয়.

জীবন কেবল ঘটনাবলির যোগফল নয়। সে সম্ভাবনা, সঙ্কল্প ও আত্মসৃষ্টির দ্বারা প্রতিনিয়ত গঠিত হয়। তারুণ্যের উচ্ছ¡াস শুধুই শুরু; কিন্তু প্রজ্ঞা ও দায়িত্বের আলো ছাড়া সে নিজেকে পূর্ণতা দিতে পারে না।

এগুলো পরস্পর থেকে আলাদা নয়, বরং এক ক্রমাগত ও ক্রমবর্ধমান যৌথতা। এই যৌথতা বলে দেয়, সত্যিকার স্বাধীনতা কোনো বুনো হাওয়া নয়; বরং নিজেকে, অপরকে ও সম্পর্ককে সচেতনভাবে গড়ে তোলার শক্তি।

এখানে কোনো কিছুই সহজে আসে না, নগদে আসে না। অর্জনের পথ কঠিন, জটিল ও দুরূহ। সেটিই তারুণ্যকে তৈরি করে। যোগ্য করে। ঝড় এখানে অবধারিত। প্রতিটি ঝড়ের পরে শান্তি আসে, কিন্তু শান্তিও নতুন ঝড়ের প্রস্তুতি। সব কিছুর প্রাপ্তি ঘটবে, তা নয়। অনেক হারানোর ঘটনাও ঘটবে। কিন্তু যা আমরা হারাই বলে মনে করি, অনেক সময় তা আমাদের নতুন পথ দেখায়।

লেখক : কবি, গবেষক



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews