ইউরোপের সেনজেন অঞ্চলের দেশগুলোতে নতুন Entry/Exit System (EES) আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে, যা সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভ্রমণকারীদের প্রবেশ ও প্রস্থানের তথ্য সম্পূর্ণ ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা হবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সেনজেন অঞ্চলে প্রবেশের সময় ভ্রমণকারীদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ছবি সংগ্রহ করা হবে। এসব বায়োমেট্রিক তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে। এর ফলে প্রতিটি ব্যক্তির প্রবেশ ও প্রস্থান আরও নির্ভুলভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
ইউরোপীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান করা, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা এবং অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবস্থা ধাপে ধাপে বিভিন্ন দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালু ছিল। তবে এখন এটি সেনজেন অঞ্চলের সব দেশেই পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থার ফলে ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকায় কাগজপত্র হারানোর ঝামেলা কমবে। পাশাপাশি ভিসা ও ভ্রমণ ইতিহাস যাচাই আরও সহজ, দ্রুত এবং স্বচ্ছ হবে। ভবিষ্যতে সীমান্ত পারাপারের প্রক্রিয়াও আরও গতিশীল হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু বিমানবন্দরে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। নতুন বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়ার কারণে সময় কিছুটা বেশি লাগছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, সিস্টেম পুরোপুরি স্থিতিশীল হলে এই পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসবে।