প্রথমে গণনা করা হবে পোস্টাল ব্যালটের ভোট। এরপর খোলা হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)। দুপুর ১২টার মধ্যে জয়–পরাজয়ের গতিপ্রকৃতি জানা যাবে। তবে গণনা পুরোপুরি শেষ হতে কোনো কোনো কেন্দ্রে রাতও হয়ে যেতে পারে।

বর্তমানে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ‘স্ট্রং রুমে’ রাখা হয়েছে ব্যালট। ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নজরদারির। পাহারা দিচ্ছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী। রাজ্যের বিভিন্ন গণনাকেন্দ্র আলাদাভাবে ‘স্ট্রং রুমের’ বাইরে পাহারা বসিয়েছে তৃণমূল ও বিজেপিও। যদিও নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে বিজেপি ইভিএমে ফল জালিয়াতি করতে পারে, এমন আশঙ্কার কথা আগেই জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অবশ্য ভোট গণনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য নির্বাচন কমিশন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে। তিন স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে গণনাকেন্দ্র। গণনাকেন্দ্রে যেসব দলের ‘কাউন্টিং এজেন্ট (গণনাকারী প্রতিনিধি)’ ঢোকার অনুমতি পাবেন, তাঁদের ‘কিউআর কোড’–সংবলিত পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে। কোনো ‘কাউন্টিং এজেন্ট’ গণনাকেন্দ্রে মুঠোফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। কেবল নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মুঠোফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews