তেহরান, ৬ জুন – হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়া ইরানের চারটি আত্মঘাতী ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ড্রোনগুলো ওই অঞ্চলের বাণিজ্যিক এবং সামুদ্রিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, ড্রোন ভূপাতিত করার পর সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় তারা পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে ইরানের গোরুক এবং কেশম দ্বীপে অবস্থিত উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্টেশনগুলোতে যৌথ হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।

তবে এই সামরিক অভিযানের বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে কয়েক দিন আগে ঘটে যাওয়া বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এই নতুন উত্তেজনা শুরু হলো। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখন গুরুতর হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন হামলায় একজন নিহত এবং ৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন। তবে ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

সেন্টকম ইরানের এই দাবিকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে বলেছে যে, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত এবং অন্যায় হামলা।

এর আগে আইআরজিসি জানিয়েছিল যে, তাদের একটি তেলবাহী ট্যাংকার ও কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ নিতেই তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

উল্লেখ্য যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে শুরু হওয়া এই সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ বহাল রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

এনএন/ ৬ জুন ২০২৬



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews