এত দিন এই উপকূলীয় এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপন ছিল অনেকটা ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল। অনেক সময় হাজার ফুট গভীর করেও লবণাক্ত পানি পাওয়া যেত। কিন্তু এই গবেষণার ফলে এখন নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব যে কোথায় খনন করলে সুপেয় পানি পাওয়া যাবে। অধ্যাপক স্টেকলা বলেন, ‘আমরা এখন বুঝতে পারছি যে ভূ-অভ্যন্তরের সুপেয় পানি কোথায় পাওয়া যাবে তা কেবল দৈব কোনো বিষয় নয়, বরং এটি তুষারযুগের ভূতাত্ত্বিক কাঠামোর ওপর নির্ভরশীল। এই মানচিত্রটি ভবিষ্যতে উপকূলীয় মানুষের জন্য সুপেয় পানির উৎস খুঁজে পেতে এবং দীর্ঘমেয়াদি পানিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।’

সূত্র: নেচার



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews