'সর্বস্বান্ত লাখ লাখ মানুষ'- আলোচনায় এমটিএফই প্রতারণা

এক ঘন্টা আগে

কেউ জমানো টাকা, কেউবা এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ জমি বন্ধক রেখে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন এই অনলাইন মাধ্যমে। বর্তমানে এরা সবাই নিঃস্ব।

শুধু বাংলাদেশে নয়, পশ্চিমবঙ্গে প্রতারিত হয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। প্রতারিতদের মধ্যে বেশিরভাগই তরুণ এবং বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এছাড়া শিক্ষক, ডাক্তার, আইনজীবী এবং সাংবাদিকসহ অন্যান্য পেশার মানুষও রয়েছে।

বাংলাদেশে এ ধরনের অ্যাপ চালানোর ক্ষেত্রে সরকারের কোনো অনুমোদন ছিল না। তাই তারা যেমন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে কোনো তথ্য দেয় না। তেমনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকও তাদের কাছ থেকে কোনো তথ্য আনে না। ফলে প্রতারণার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে কোনো তথ্য নেই।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিদেশি ভুঁইফোঁড় এক অনলাইন প্রতিষ্ঠানের ফাঁদে পড়ে বরিশাল, ময়মনসিংহ, খুলনা, কুষ্টিয়া, উত্তরাঞ্চলসহ অনেক এলাকার লাখ লাখ মানুষের এখন সর্বস্বান্ত হওয়ার অবস্থা।

দেশে অবৈধ ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে অনলাইনের সব কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়েছে অ্যাপসভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি।

কেউ কেউ বলছেন, হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে যে পরিমাণ অর্থ গায়েব করেছে, এর চেয়ে ১০ গুণ টাকা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে লুট করেছে অ্যাপভিত্তিক অনলাইন ট্রেডিং গ্রুপ ‘মেটাভার্স ফরেন এক্সচেঞ্জ’র (এমটিএফই)।

গত ৭ই আগস্ট প্রথমে কারিগরি ত্রুটির কথা বলে গ্রাহকদের টাকা উত্তোলন সেবা বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানটি। বৃহস্পতিবার অনলাইন থেকে একেবারেই হাওয়া হয়ে যায় এমটিএফই।

২০২১ সালের পর থেকে এমটিএফই বাংলাদেশে ভার্চুয়ালি কার্যক্রম চালালেও তা কেন প্রশাসনের নজরে এলো না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সমকাল

২১শে অগাস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায়”। ওই মামলার আসামীদের মুত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন ও আপিল শুনানি হাইকোর্টে শুরু হয়েছে। যা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে।

প্রতিবেদনে মামলার অগ্রগতির বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়েছে।

১৯ বছর আগে ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধী দলের নেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশ চলাকালে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। এতে দলের নেতাকর্মীসহ ২৪জন নিহত হন।আহত হন শেখ হাসিনাসহ কয়েকশ কর্মী।

১৪ বছর পর সেই ঘটনার বিচারিক আদালতে রায় হয়। এখন আসামীদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন বা ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়েছে।

কোন মামলায় আসামীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে যা ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে পরিচিত।

একই ইস্যুতে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, “Victims, families still await justice” অর্থাৎ। “বিচারের অপেক্ষায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে ২১শে অগাস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত ২৪ জনের পরিবার এবং আহতদের জন্য বিচার এখনও অধরাই রয়ে গিয়েছে, কারণ মামলাগুলি ১৯ বছরেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি।

হামলার ঘটনায় ২০০৪ সালের ২২শে আগস্ট পুলিশ দুটি মামলা দায়ের হয়েছিল। একটি খুনের ঘটনায় এবং অন্যটি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা হয়েছিল।

২০১৮ সালের ১০ই অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ হামলার ঘটনায় দুটি মামলায় ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং বর্তমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন এবং ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়।

নিম্ন আদালত ৪৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করার পর পাঁচ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু হাইকোর্ট এখনও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৯ জনের রেফারেন্স এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১৯ জনের আপিল এবং অন্য ১১ জনের আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি।

প্রথম আলো

একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০ জন। ফলে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭৬ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরাতে এসব তথ্য দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, নারীদের তুলনায় পুরুষরা বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হচ্ছে। তবে পুরুষের তুলনায় নারীদের মৃত্যু বেশি হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দেশে ডেঙ্গুর ৩৩তম সপ্তাহে এসে ঢাকার পাশাপাশি ঢাকার বাইরেও সংক্রমণ কিছুটা নিম্নমুখী দেখা গেছে। যার প্রভাবে রাজধানীসহ সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।

এই আন্দোলন দমনে ফের হার্ডলাইনে গেছে সরকার। সরকারবিরোধীদের এক দফা আন্দোলন ও হুমকি অস্তিত্বের লড়াই হিসেবেও দেখছে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে দল ও সরকারের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যেও তা উঠে আসছে।

বিএনপি ও তার মিত্রদের নেতাকর্মীদের নামে পুলিশের দেয়া আগের মামলাগুলো জোরালোভাবে সচল করা হয়েছে। আবার চলমান সভা-সমাবেশ পালনকালে সহিংসতার অভিযোগে নতুন নতুন মামলা দিয়ে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে আন্দোলন দমন করার কৌশল নেয়া হচ্ছে।

বিরোধীরা যাতে কোনো ধরনের আন্দোলন গড়ে তুলতে না পারে সে জন্য এটা সরকারের একটা কৌশল বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

দ্য ডেইলি স্টার

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বহুল প্রতীক্ষিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কাজ প্রত্যাশিত গতিতে কমবেশি এগিয়ে যাচ্ছে।

তবে প্রকল্পটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সুবিধা সময়মতো প্রস্তুত না হওয়ায় এর সুবিধা উপভোগ করতে আরও অপেক্ষা করতে হবে সাধারণ মানুষকে।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশ অনুসারে, রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের দুটি প্রকল্পের মধ্যে একটি, ২০১৮ সালের এপ্রিলে হাতে নেয়া হয়েছিল যা এই বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা।

কিন্তু বাস্তবে জুন পর্যন্ত ৬৩ শতাংশ ভৌত অগ্রগতি এবং ৪৭.৭৮ শতাংশ আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে। প্রায ১১ হাজার কোটি টাকার সঞ্চালন প্রকল্পটির কাজ শেষ হতে আগামী বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বলা হচ্ছে, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় গত ১৩ বছরে ১১ হাজার ৪৮১ জন শ্রমিক মারা গেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন নির্মাণ শ্রমিক। এই সময়ে এ খাতে মারা গেছেন দুই হাজার ৩০৪ জন শ্রমিক। শতাংশের হিসাবে তা মোট শ্রমিক মৃত্যুর ২০ শতাংশ।

এর পরই আছে পোশাক খাত। এ খাতে মারা গেছেন এক হাজার ৭০৪ জন শ্রমিক। শতাংশের হিসাবে তা মোট শ্রমিক মৃত্যুর ১৪.৮ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে আছে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত। যেমন—লেদ মেশিনের কারখানার মতো ছোট কারখানাগুলো।

বিলসের হিসাবে, চলতি বছরের গত ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) শুধু নির্মাণ খাতে মারা গেছেন ৪২ জন শ্রমিক। আহত হয়েছেন ৬৯ জন। তাঁদের সবাই পুরুষ শ্রমিক।

সংবাদ

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভূরাজনৈতিক বিচারে বাংলাদেশের অন্যতম মিত্র দেশ হিসেবে চীনকে বিবেচনা করা হলেও ২০২২-২৩ অর্থবছরে চীনা বিনিয়োগ সহায়তার নতুন কোনো প্রতিশ্রুতি নেই।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য এমনটাই বলছে। এ সময় কিছু পরিমাণ অর্থছাড় হলেও তা ছিল মূলত আগে প্রতিশ্রুত বৃহৎ প্রকল্প ঋণের অর্থ।

দেশে চীনা বিনিয়োগের গতি শ্লথ হয়ে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাও।

অথচ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৬ সালে বাংলাদেশে আসার পর কৌশলগত সম্পর্ক আরো ব্যাপক মাত্রায় গতি পায়। বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে শুরু করে নানা বড় অবকাঠামো নির্মাণে চীনা বিনিয়োগ আসতে থাকে।

২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পশ্চিমাবিরোধী অবস্থান নেয়া চীনের প্রকাশ্য ও মৌন সমর্থন পায় বাংলাদেশ। এর পরও পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না আসার বিষয়টি কূটনৈতিক ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন তৈরি করেছে।

বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের অন্যতম শীর্ষ অংশীদার দেশটি থেকে বিনিয়োগ কমে আসার পেছনে প্রভাবক হিসেবে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুই ধরনের বিষয়ই কাজ করে থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কালের কণ্ঠ

অন্যান্য খবর

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, “ভোটের আগে রাজপথের কৌশল পাল্টাচ্ছে আওয়ামী লীগ”। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নানা প্রস্তুতির খবর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এখানে বলা হচ্ছে, নির্বাচনী আমেজ আনার লক্ষ্য থেকে আগামী সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ঢাকাসহ সারাদেশে কিছু বড় জমায়েত করবে আওয়ামী লীগ।

এর আগে বিএনপির কর্মসূচির দিন ‘সতর্ক পাহারার’ নামে পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে রাজপথে থাকতো দলটি। ধারণা করা হচ্ছে যে তারা এই কৌশল পাল্টেছে। এখন তারা নিজেরা বড় জমায়েতের ব্যাপারে জোর দিচ্ছে।

এদিকে নির্বাচনের আগে ঢাকায় মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ বড় কিছু উন্নয়ন প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এসব প্রকল্পের উদ্বোধনকে ঘিরেও সুধী সমাবেশ বা সমাবেশে বড় জমায়েত করার পরিকল্পনা করছে দলটি।

নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, “Onion Prices rise after Indian tax measure”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে ভারতে পেয়াজের ওপর ৪০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক আরোপের ঘোষণার একদিন পর রোববার ঢাকার খুচরা ও পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০-১৫ টাকা বেড়েছে।

খুচরা বিক্রেতা ও পাইকারি বিক্রেতারা জানান, শনিবার রাতে ভারত নতুন রপ্তানি শুল্ক ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করে।

শনিবার একটি বিজ্ঞপ্তিতে, ভারত সরকার বলেছে তারা পেঁয়াজের উপর এই রপ্তানি শুল্ক আরোপ করছে যেন ৩১শে অগাস্ট পর্যন্ত এই পণ্যটির অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ঠিক থাকে।

ভারতীয় গণমাধ্যমে খবরটি আসার সাথে সাথে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা শহরের বাজারে স্থানীয় ও আমদানি করা উভয় জাতের পেঁয়াজের দাম বাড়াতে শুরু করে।

রোববার রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের খুচরা দাম বেড়েছে ১৫ টাকা, আমদানি করা পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭৫ টাকায কেজিতে। নগরীর বাজারে একদিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের পাইকারি দামও কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে।

চলতি বছরের মে মাসে ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকায় উঠেছিল, ৫ই জুন সরকার দাম বৃদ্ধি রোধে ভারত থেকে পণ্যটি আমদানির অনুমতি দেয়। আমদানির পর ঢাকার বাজারে স্থানীয় জাতের পেঁয়াজের দাম হু হু করে পড়ে যায়।

যুগান্তর

এক্ষেত্রে সিইসির আপিল বিভাগের বিচারপতি এবং চার কমিশনার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের সমান সুযোগ পাবেন। এসব সুযোগ-সুবিধার বিধান রেখে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) আইনের খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।

সোমবার কমিশন সভায় এ খসড়া আইন অনুমোদনের জন্য তোলা হচ্ছে। কমিশনের অনুমোদন পেলে এটি আইন আকারে পাশের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

ওই আইন পাশ হলে বিচারপতিদের মতো ৫ বছর পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করলে পেনশন সুবিধা, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে দেওয়া বক্তৃতা ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

নিউ এইজ


Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews