ওয়াশিংটন, ১৪ এপ্রিল – যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স স্বেচ্ছায় মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি হয়েছেন। প্রখ্যাত বিনোদন ম্যাগাজিন ভ্যারাইটির পক্ষ থেকে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। গত মাসে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে তিনি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। সেই ঘটনার পর পরই তিনি পুনর্বাসনে যাওয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। নব্বই দশকের শেষভাগে টিন আইকন হিসেবে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন স্পিয়ার্স।
তবে বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি প্রচারমাধ্যম থেকে নিজেকে আড়ালে রেখেছেন। ২০১৬ সালে তার সর্বশেষ গানের অ্যালবাম গ্লোরি বাজারে আসে। এরপর ২০১৮ সালে টেক্সাসে পিস অফ মি শীর্ষক কনসার্টে ভক্তরা তাকে শেষবার সরাসরি মঞ্চে দেখতে পান। ২০১৯ সালে লাস ভেগাসে তার কনসার্ট করার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তিনি তা বাতিল ঘোষণা করেন। ব্যক্তিগত ও আইনি জীবনে নানা চড়াই উতরাই পার করেছেন এই তারকা। ২০২১ সালে নিজের বাবা জেমি স্পিয়ার্সের বিরুদ্ধে অভিভাবকত্বের আইনি লড়াইয়ে জয়লাভ করেন ব্রিটনি।
সম্প্রতি নিজের গানের পুরো ক্যাটালগ বিক্রি করে দিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। এছাড়া গত জানুয়ারি মাসে সামাজিক মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে এক রহস্যময় পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন যে আর কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে কনসার্ট করবেন না। এর আগেও বিভিন্ন সময় আইনি জটিলতায় জড়িয়েছেন এই গায়িকা। ২০০৭ সালে একটি ধাক্কা মেরে পালিয়ে যাওয়ার মামলায় তার নাম জড়ায়।
সেবার পার্কিংয়ে থাকা একটি গাড়িকে ধাক্কা দেওয়ার পর ক্ষতিপূরণ দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করেছিলেন তিনি। ১৯৯৯ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে বেবি ওয়ান মোর টাইম অ্যালবামের মাধ্যমে রাতারাতি বিশ্বতারকা হয়ে ওঠেন ব্রিটনি। আড়াই কোটিরও বেশি কপি বিক্রি হয় অ্যালবামটি। পরের বছর প্রকাশিত তার দ্বিতীয় অ্যালবাম উপস আই ডিড ইট এগেন দুই কোটিরও বেশি কপি বিক্রি হয়। নতুন শতাব্দীর শুরুতে টিন পপ ধারাকে জনপ্রিয় করার পেছনে তার একক অবদান অনস্বীকার্য।
এস এম/ ১৪ এপ্রিল ২০২৬