ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি – তুলসী একটি অতি পরিচিত গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ, যা ভেষজ গুণে সমৃদ্ধ। এই গাছের পাতা বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন এক গ্লাস তুলসী পাতার রস বা চা পান করলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।

এমনকি কিডনিতে পাথর জমলে টানা ছয় মাস নিয়মিত তুলসী পাতার রস পানে তা গলে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যেতে পারে। কিডনির সমস্যা ছাড়াও সর্দি, কাশি, কৃমি এবং প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমাতে তুলসী পাতা বিশেষ উপকারী। এটি হজমকারক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি কফ গলাতে সাহায্য করে। শরীরের কোনো ক্ষত সারাতে এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে। পাঠকদের সুবিধার্থে তুলসী পাতা দিয়ে তৈরি স্বাস্থ্যকর পানীয় ও চায়ের কিছু প্রস্তুত প্রণালী নিচে তুলে ধরা হলো।

তুলসী পানি তৈরির জন্য একটি পাত্রে দুই কাপ পানি নিয়ে তাতে কয়েকটি তুলসী পাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে নামিয়ে পান করা যাবে। এই মিশ্রণ গলা ব্যথা ও খুসখুসে কাশি কমাতে বেশ আরামদায়ক। তুলসী চা তৈরির ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫টি তুলসী পাতা ও গুড় প্রথমে বেটে নিতে হবে। এরপর দেড় কাপ পানিতে এই মিশ্রণ ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিতে হবে। ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন। এই চা শরীর উষ্ণ রাখতে সহায়তা করে। ভেষজ তুলসী চা তৈরির জন্য প্রয়োজন এক টুকরো আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, তুলসী পাতা, দারুচিনি ও এলাচ। পরিমাণমতো পানিতে এসব উপকরণ মিশিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল দিয়ে ছেকে পান করতে হবে।

এই চা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে পারে। এছাড়া হার্বাল জুস তৈরি করতে চার কাপ পানিতে আজওয়াইন, তুলসী পাতা, জিরা, আমচুর গুঁড়া, লবণ ও পুদিনা পাতা মিশিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট জ্বাল দিতে হবে। প্রতিদিন এই জুস পানে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করে।

এস এম/ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews