বিশ্বজুড়ে বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান চাকরি কমালেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করছে বলে দাবি করেছেন হোয়াইট হাউসের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের পরিচালক কেভিন হাসেট। তার মতে, এই প্রযুক্তি ব্যবসাকে আরও দ্রুত ও কার্যকর করছে। ফলে নতুন সুযোগও তৈরি হচ্ছে।

ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাসেট বলেন, এআই এখন চাকরি তৈরি করছে। যারা এটি ব্যবহার করছে, তারা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এটি মোটেও কর্মসংস্থানের জন্য নেতিবাচক বিষয় নয়।

তার এই মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন অ্যামাজন, মেটা ও ওরাকলের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার কারণে কম কর্মী দিয়েই কাজ চালানো সম্ভব হচ্ছে।

হাসেট বলেন, এআই ব্যবহারে ব্যবসা আরও উৎপাদনশীল হয়েছে। দাবা খেলায় প্রযুক্তির সহায়তার সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, এআই ব্যবহার করলে প্রতিষ্ঠানগুলো আরও ভালোভাবে পরিচালিত হয়।

সম্প্রতি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকদের চাকরি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে—এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। তার দাবি, সাম্প্রতিক তথ্য বলছে নতুন স্নাতকদের বেকারত্বের হার দ্রুত কমেছে। বিপুল সংখ্যায় তাদের চাকরিতে নেওয়া হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের তথ্য তুলে ধরে হাসেট বলেন, ছোট ব্যবসাগুলো এআই ব্যবহার করে দ্রুত বাড়ছে। যেসব প্রতিষ্ঠান নিজেদের কাজে এআই যুক্ত করেছে, তাদের আয় গত এক বছরে দ্বিগুণ হয়েছে।

তবে বাস্তবে প্রযুক্তি খাতে ছাঁটাই অব্যাহত রয়েছে। চাকরি পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ট্রু আপের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১ লাখ ৩৪ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৪ হাজার প্রযুক্তিকর্মী চাকরি হারিয়েছেন।

অ্যামাজন প্রায় ৩০ হাজার পদ বাতিল করেছে। ওরাকল কমিয়েছে প্রায় ২০ হাজার চাকরি। মেটা ৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই করে অনেককে এআইভিত্তিক দলে স্থানান্তর করেছে। মাইক্রোসফট, সিসকো ও কয়েনবেসও একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিডিপ্রতিদিন/কেকে



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews