প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে শাহাদাতবরণকারী সেনাসদস্যদের প্রতিও প্রধানমন্ত্রী গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা, দুর্যোগ মোকাবিলা ও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে। এ জন্য তিনি সেনাপ্রধানসহ বাহিনীর সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানান।
আধুনিক সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর
উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর।
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নের একটি বাস্তবসম্মত ও টেকসই মডেল অনুসরণ করা এখন সময়ের দাবি বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ সমুদ্রনিরাপত্তা, সীমান্তনিরাপত্তা, আন্তরাষ্ট্রীয় ও আন্তসীমান্ত হুমকি, সাইবার ও তথ্যভিত্তিক নিরাপত্তা, দুর্যোগ মোকাবিলা, মানবিক সহায়তা কার্যক্রমসহ বহুমাত্রিক, জটিল নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। ফলে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা, জনগণের প্রত্যাশা ও সহনশীলতাকে বিবেচনায় রেখে প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নের একটি বাস্তবসম্মত, টেকসই মডেল অনুসরণ করা এখন সময়ের দাবি।