এসএমএসের মাধ্যমে জনগণকে আশ্বস্ত করছে ইরান সরকার, রেজিম চেঞ্জের কোনো সম্ভাবনা নেই। কয়েকজনের নেতার মৃত্যুতে রাষ্ট্র থেমে যাবে না, নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আরও অনেকে প্রস্তুত। সম্ভাব্য হামলা সম্পর্কেও আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে। আজ বা কাল কোথায় আক্রমণ হতে পারে, জানানো হচ্ছে। আক্রান্ত হলে কোন পরিষেবার জন্য কোন নম্বরে যোগাযোগ করতে হবে, সেটিও জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

তবু কি ভয় কমে? গত কয়েক দিনে হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। আপাতদৃষ্টিতে হামলাগুলো সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, পারমাণবিক ও সরকারি স্থাপনা লক্ষ্য করে হচ্ছে। কিন্তু স্কুলসহ কিছু বেসামরিক স্থাপনাতেও হামলার খবর এসেছে। কখন কোন মিসাইল কোথায় এসে পড়বে, কেউ জানে না। সাধারণত দুপুরের পর থেকে শুরু হয় আক্রমণ। মিসাইলের শব্দ শুনলেই টান টান হয়ে ওঠে স্নায়ু। আকাশের দিকে তাকালে দেখা যায়, একের পর এক ছুটে যাচ্ছে মিসাইল। তেহরানের চেয়ে আশপাশের শহরগুলোতে এখন আক্রমণ হচ্ছে বেশি।

এর মধ্যে একদিন বের হয়ে কিছু খাবারদাবার কিনে এনেছি। কয়েক দিন চলবে। দু–একটি ওষুধের দোকান ছাড়া অধিকাংশ দোকানপাটই বন্ধ। চারদিকে অনিশ্চয়তা। গত বছর ১২ দিনের আক্রমণের সময় মনে হয়েছিল, এটা হয়তো সাময়িক সংঘাত। এবার বুঝতে পারছি না, যুদ্ধ কত দিন স্থায়ী হবে।

সবার মুখে একই প্রশ্ন, এই যুদ্ধ কবে থামবে?



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews