আইআরজিসি এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে বড় আকারের প্রতিশোধমূলক অভিযানের বড় ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের দাবি, এ অভিযানের অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিভিন্ন মার্কিন বিমান ও নৌঘাঁটির ২১টি নিশানায় আঘাত হানা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের আকাশসীমায় একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
এদিকে কুয়েতের সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফ বলেছেন, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় আছে এবং এর সাহায্যে (ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ইত্যাদি) প্রতিহত করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কুয়েতের সেনাবাহিনী বাসিন্দাদের কর্তৃপক্ষের জারি করা নিরাপত্তা নির্দেশনা ও সতর্কতামূলক পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের শুধু সরকারি সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করতেও অনুরোধ জানানো হয়েছে।