বাগদাদের রাস্তা দিয়ে সম্প্রতি আমি গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলাম। আমার পাশের গাড়ির পেছনের সিটে বসা এক বৃদ্ধার দৃষ্টি পড়েছিল রাস্তার ধারে ময়লার স্তূপের পাশে ধুলাবালুতে মিশে থাকা এক শীর্ণকায় শিশুর ওপর। ময়লার স্তূপ হাতড়ে শিশুটি এক প্যাকেট চিপস খুঁজে পেল। মনে হচ্ছিল প্যাকেটটি তখনো খোলা হয়নি। শিশুটি এমনভাবে চিপসের প্যাকেটটি তুলে ধরল, যেন মনে হলো কোনো এক মূল্যবান পুরস্কার পেয়েছে।
২০২৫ সালে ইরাকের ৯৪ বিলিয়ন ডলার আয়ের সিংহভাগই এসেছে তেল থেকে। অথচ অনানুষ্ঠানিক খাতে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করা লাখ লাখ সাধারণ মানুষের কাছে এর সামান্যই পৌঁছেছে। একদিকে দেশ এখনো আগের যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ থেকে বের হতে পারেনি, তার ওপর যোগ হয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক যুদ্ধ। ইরানের মিত্র বেশ কয়েকটি শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস, ন্যাটোর সৈন্য, ইরানবিরোধী কুর্দি মিলিশিয়া এবং দক্ষিণের আরব দেশগুলোকে লক্ষ্য করে রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এমনকি বাগদাদে খোদ ইরাকি গোয়েন্দা সংস্থার সদর দপ্তরেও একটি ড্রোন আঘাত হেনেছে।