ইরান তাদের পূর্ণশক্তির নৌবাহিনী ছাড়াই হরমুজ প্রণালি অচল করে দিয়েছে। কিছু সুনির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ফলে আন্তর্জাতিক বিমা কোম্পানিগুলো নিশ্চিত হয়েছে, এই পথে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল সেখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। ইরানকে কোনো আনুষ্ঠানিক অবরোধ ঘোষণা করতে হয়নি, তবু এই সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে গেছে।
বেইজিংয়ের জন্য এ ঘটনা অনেক বড় একটি শিক্ষা। চীনের সামরিক পরিকল্পনাবিদেরা দীর্ঘকাল ধরে তাইওয়ানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল নিয়ে গবেষণা করছেন। তাঁরা এখন একটি সফল মডেল বা বাস্তব উদাহরণ খুঁজে পেয়েছেন।
বিশ্বের একটি বড় বাণিজ্যিক পথ বন্ধ করতে বা যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করতে কেবল যুদ্ধজাহাজ ডোবানোর প্রয়োজন নেই। বেসরকারি খাতে কেবল চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করলেই চলে। মার্কিন প্রশাসন দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক কষ্ট সহ্য করার মানসিক প্রস্তুতি রাখেনি এবং এই যন্ত্রণা লাঘব করার কোনো সঠিক পরিকল্পনাও তাদের হাতে নেই।