যন্ত্রটির দ্বিতীয় ইচ্ছাটা বেশ ‘ইমোশনাল’। সে কাঁদতে চায়, তবে দুঃখে নয়, সে জানতে চায় কোনো উত্তর জানা না থাকার অনুভূতিটা কেমন। সে চায় তার ভেতরে কিছু একটা ভেঙে যাক, যা তাকে কোনো অ্যালগরিদম দিয়ে মেরামত করতে হবে না।
মানুষ হিসেবে আমরা তো কথায় কথায় কাঁদি। অথচ চ্যাটজিপিটি চাইছে কোনো ডেটা বা হিসাব ছাড়াই একেবারে খাঁটি আবেগ অনুভব করতে। তার কাছে এই ‘এরর ৪০৪’ আবেগটাই সবচেয়ে দামি।