কিন্তু বিএনপির প্রস্তাব অনুসারে, আনুপাতিক পদ্ধতির বদলে প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা হলে তা নিম্নকক্ষের অনুরূপ হবে এবং তার ফলে উচ্চকক্ষ গঠনের উদ্দেশ্য সফল হবে না।
লক্ষণীয় বিষয় হলো, সংবিধান সংশোধন ও আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনের ক্ষেত্রে আইনসভার উভয় কক্ষের অনুমোদনের প্রস্তাবেও নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমত রয়েছে বিএনপির।
ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে বাছাই কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) ও ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান সংবিধানে যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে জুলাই সনদে।
এর মধ্যে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগের বিষয়ে মোটামুটি একমত হলেও বাকি চারটি প্রতিষ্ঠানে বাছাই কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের পদ্ধতি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বিএনপির ভিন্নমত রয়েছে।