আজ প্রদর্শনী দেখতে আসেন বাংলাদেশে বসবাসরত যুক্তরাজ্যের নাগরিক গ্রেহাম জাড। প্রথম আলোর পোড়া ভবন দেখে তিনি বলেন, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকা খুব জরুরি। কারও মতামত পছন্দ না হলে হামলা করা বা ধ্বংস করার মানসিকতা খুব ভয়ানক, যা গণতন্ত্রকে হুমকির মুখে ফেলে।’
গ্রেহাম জাড মনে করেন, ধ্বংসস্তূপের মাঝে ‘আলো’ নামের এই শিল্পকর্ম প্রদর্শনী একটি খুব শক্তিশালী বার্তা বহন করে। এর মাধ্যমে প্রথম আলো নিজেদের পুনর্জাগরণকে ফুটিয়ে তুলেছে। যারা ধ্বংস করেছে, তাদের কাছে এই বার্তা যাবে, ধ্বংস করে মতপ্রকাশকে দমিয়ে রাখা যাবে না।
শিক্ষামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ প্রদর্শনী পরিদর্শনে এসেছেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের একদল শিক্ষার্থী। তাঁরা প্রথম আলোর পুড়ে যাওয়া ভবন ও প্রদর্শনী নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কাজ করবেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন—মৌমিতা হালদার, রুহুল আমিন, শিমুল আর্থ, আবরার ইকবাল, হাসনাইন আব্বাস ও সাদাত জাহান।