দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, দেশের মানুষ নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে আছেন, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। দেশের পেশাজীবী, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, প্রবাসী ও বিদেশিরা নির্বাচন চান। আমলাতন্ত্রের ভেতরে যে অস্বস্তি সেটা কাটানোর জন্য তাঁরা নির্বাচন চান। তিনি বলেন, ‘একই সাথে আবার দেখি যে মানুষের আস্থার খুব ঘাটতি। এই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না, তা নিয়ে তারা আস্থা পাচ্ছে না। নির্বাচনের পথে সহিংসতা বাড়বে কি না, একইভাবে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা আছে কি না। স্থানীয় পর্যায়ে এ রকম একটা পরিস্থিতি রয়েছে এবং আস্থার ঘাটতি আছে। একটা বৈপরীত্যের মধ্যে অবস্থান করছি—একদিকে প্রচণ্ড প্রত্যাশা, অপর দিকে আস্থার অভাব।’
নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ প্রসঙ্গে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপের ভেতরে ঢুকতে পারেনি।
কৌশলগত সুপারিশ বাদ দিয়ে দুদক অধ্যাদেশ চূড়ান্ত নিয়ে টিআইবির বিবৃতি উল্লেখ করে সিপিডির এই ফেলো বলেন, ‘ইফতেখার ভাইয়ের আজকের স্টেটমেন্ট দেখেছেন কি না? উনি তো মারাত্মক কথা বলেছেন। উনি বলেছেন, “ক্যাবিনেটের মধ্যে সাতজন উপদেষ্টা এটার বিরোধিতা করেছেন।” আমরা বাইরের মানুষ তবুও ভেতরের কিছু খবর জানি। এটা খুবই হতাশাব্যঞ্জক বিষয়। আমরা দেখতে পাচ্ছি, সরকারের ভেতর একটা সংস্কারবিরোধী মনোভাব ক্রমান্বয়ে বের হচ্ছে।’