অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীরা ভাতার অর্থ কোথায় খরচ করছেন বা কী করছেন তা যাচাই করা হবে। ভাতার প্রভাব কী পড়ছে, তা মূল্যায়ন করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘টাকাটা দেওয়ার পরে আমরা জানতে চাচ্ছি তাদের জীবনের পরিবর্তনটা কতটুকু। কেউ যদি পিছিয়ে যায়, তাহলে কেন পিছিয়ে গেল তা-ও বিশ্লেষণ করতে হবে। তাহলে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।’ সচিবালয়ে গতকাল নিজ দপ্তরে ফ্যামিলি কার্ডের নীতিমালা অনুমোদন শীর্ষক সভা শেষে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে প্রথমে স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর পরই আসবে সমৃদ্ধি। আমাদের লক্ষ্যই হলো দেশ ও দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়া।’ তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছায়, এবারের বাজেটে তা বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে স্থিতিশীল অর্থনীতি, স্থিতিশীল অর্থনীতি থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতি খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। প্রথম দিকে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে। একবারে স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাব। তখন অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।’ বৈঠকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, চার বছরে ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আগামী অর্থবছরে পাবে ৪১ লাখ পরিবার। এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, উপকারভোগী বাছাইয়ে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন যুক্ত থাকবে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews