কোনোভাবেই ইউরোপকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধে সম্পৃক্ত বলা যায় না। ইউরোপীয় সেনারা ইরানের মালভূমিতে হামলা চালাচ্ছে না। ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানও তেহরানের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে আঘাত হানছে না। তবু সংঘাত যত দিন থেকে সপ্তাহে গড়াচ্ছে, যুদ্ধের বোঝা ততটাই ইউরোপের কাঁধে এসে পড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ সাধারণত আঞ্চলিক সীমার ভেতরে আটকে থাকে না। এবারও তার ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা কম। এ যুদ্ধ ইউরোপের জন্য শুধু ভূরাজনৈতিক নয়; অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। জ্বালানি বাজার থেকে শুরু করে অভিবাসনপথ, ন্যাটো জোট থেকে জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির উত্থান পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এর ঢেউ ইতিমধ্যেই ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।

প্রথম ধাক্কাটি কৌশলগত। যুদ্ধটি নিয়ে ইউরোপ নিজেই গভীরভাবে বিভক্ত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন সতর্ক ভাষায় ‘সর্বোচ্চ সংযম’ দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে। এ ভাষা আসলে ২৭টি সদস্যরাষ্ট্রের মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তোলার কঠিন বাস্তবতাকে প্রকাশ করে। কারণ, এ সংঘাত নিয়ে তাদের অবস্থান এক রকম নয়।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews