বর্তমান ভিত্তিমূল্য যদি ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলার ধরা হয়, তাহলে শুধু প্রত্যক্ষ সরবরাহ কমার কারণেই তেলের দাম প্রায় ৬ থেকে ১১ ডলার বাড়তে পারে। এতে তেলের দাম ৭৬ থেকে ৮১ ডলারের মধ্যে উঠতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাতের প্রভাব বাজারে কতটা পড়বে, তা সব সময় সরল গাণিতিক নিয়মে নির্ধারিত হয় না। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল হুমকির মুখে পড়লে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব হয়ে ওঠে কাঠামোগত। এমনকি আংশিক বিঘ্ন ঘটার ঝুঁকি থাকলেও ব্যারেলপ্রতি ২০ থেকে ৪০ ডলারের ‘ভূরাজনৈতিক প্রিমিয়াম’ যুক্ত হতে পারে। ফলে তেলের দাম আবারও ৯৫ থেকে ১১০ ডলার বা তারও বেশি হতে পারে, এমন শঙ্কা আছে।
এর আগে বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকস বলেছিল, ইরান হরমুজ প্রণালি অবরোধ করলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াতে পারে। এতে বিশ্বজুড়ে উৎপাদন খরচ বাড়বে এবং শেষ পর্যন্ত ভোক্তামূল্যে এর বড় প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে খাদ্য, পোশাক ও রাসায়নিকের মতো পণ্যে।