ঢাকার ধামরাইয়ে দু’টি খাল খননের কাজ শেষ করে বরাদ্দের অব্যবহৃত প্রায় এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। খননের সঠিক তদারকির কারণে এ টাকা বেঁচে যায় বলে জানা গেছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ধামরাই সদর ইউনিয়নের ইকুরিয়া খাল ও কুল্লা ইউনিয়নের বাড়িগাঁও খালের চার দশমিক ১৬ কিলোমিটার খননের জন্য দুই কোটি আট লাখ ৯৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। কাজ শেষ হওয়ার পর ৯৩ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩ টাকা এবং এর সাথে ভ্যাট মিলিয়ে মোট প্রায় এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: আল মামুন বলেন, খাল খননের জন্য যে বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছিল, কাজ শেষ হওয়ার পর উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়েছে।
গত ১৬ জুলাই ধামরাইয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বিষয়টি উল্লেখ করেন। ওই সময় তিনি বলেন, ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের মধ্যে এই ধামরাইতে দু’টি খাল খনন করার কথা ছিল দুই কোটি ৮০ লাখ টাকা দিয়ে। আপনারা এমন এমপি পেয়েছেন দুই কোটি ৮০ লাখ টাকার খাল খনন করার পর এক কোটি টাকার বেশি সরকারের কাছে ফেরত দিয়েছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এইচ এম মোহিতুল ইসলাম জানায়, খাল দু’টি খননের মাধ্যমে কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থা উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং বর্ষার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। একইসাথে স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঢাকা-২০ আসনের এমপি মো: তমিজ উদ্দিন বলেন, কৃষি ও কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথম খাল খনন কর্মসূচির চালু করেন। এর সুফলও কৃষকরা পেয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের কথা চিন্তা করে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করেছেন। এর সুফলও সারাদেশের মতো ধামরাইয়ের কৃষকরাও পাবেন।