বিজিবি সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ মে থেকে চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে বিএসএফ ২ হাজার ৪৭৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেছিল। তাঁদের মধ্যে ১২০ জন ছিলেন ভারতীয় নাগরিক। তবে গত মে মাস থেকে আবার সীমান্তে পুশ ইনের চেষ্টা বাড়তে থাকে।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রধানদের নেতৃত্বে এটিই প্রথম বৈঠক। মে মাসে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ বা ‘থ্রি-ডি’ অভিযান শুরু করে। নথিপত্র ছাড়া থাকা ‘তথাকথিত বাংলাদেশি’দের লক্ষ্য করেই এ অভিযান চলছে বলে বলা হচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারী এরই মধ্যে গণমাধ্যমে দাবি করেছেন, অন্তত ৪ হাজার ৮৮০ জন অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
পুশ ইন নিয়ে কী বলছে দুই পক্ষ
গতকালের বৈঠকে বিজিবি ও বিএসএফের প্রধানেরা তাঁদের বক্তৃতায় পুশ ইন নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন বলে দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, বৈঠকে পুশ ইনের বিষয়ে গত এক বছরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যা বলে আসছে, বিএসএফের মহাপরিচালক তাঁর বক্তৃতায় সেটাই পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নাগরিকসহ অবৈধ বিদেশিদের বিষয়ে দেশের আইন ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আর ভারতের নিজস্ব আইনের পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান যে প্রক্রিয়া আছে, সেটা অনুসরণ করে বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ লোকজনকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।