লাতিন আমেরিকার দল ইকুয়েডর শক্তিশালী এক দল নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে। তাদের দলে আছে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন সব দলের একাধিক ফুটবলার।
এই তালিকায় সর্বাগ্রে থাকবেন সবশেষ ক্লাব বিশ্বকাপজয়ী চেলসির মিডফিল্ডার মোইসেস কাইসেদো এবং টানা ২ চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ী প্যারিস সেন্ট-জার্মেইঁর উইলিয়ান পাচো। তারাই এবারের বিশ্বকাপে ইকুয়েডরকে নেতৃত্ব দেবেন।
পাচো সম্প্রতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। তিনি এখন এই গৌরব নিয়েই বিশ্বকাপে নামবেন।
এই দলে আরও এক চ্যাম্পিয়ন আছেন। পিয়েরো হিনকাপিয়ে আর্সেনালের হয়ে জিতেছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ। তিনি এই দলে জায়গা পেয়েছেন। যদিও শনিবার বুদাপেস্টে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে তার দল আর্সেনাল হেরে যায়।
এদিকে এনার ভালেন্সিয়া তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলবেন। তার বয়স এখন ৩৬ বছর।
ইকুয়েডর এবার গ্রুপ ‘ই’-তে আছে। ১৪ জুন ফিলাডেলফিয়ায় আইভরি কোস্টের বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচ। ২০ জুন কানসাস সিটিতে তারা মাঠে নামবে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে। কুরাসাও এবার প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলছে। এরপর ২৫ জুন নিউ জার্সিতে জার্মানির মুখোমুখি হবে ইকুয়েডর।
২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে ইকুয়েডর গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল। এবার তারা সেই ব্যর্থতা ঘোচাতে চায়।
ইকুয়েডরের পূর্ণ স্কোয়াড:
গোলরক্ষক: হার্নান গালিন্দেজ, মোইসেস রামিরেজ, গনজালো ভায়ে।
ডিফেন্ডার: পারভিস এস্তুপিনিয়ান, পিয়েরো হিনকাপিয়ে, উইলিয়ান পাচো, জোয়েল অর্দোনিয়েজ, ফেলিক্স তোরেস, জ্যাকসন পোরোজো, আঞ্জেলো প্রেসিয়াদো।
মিডফিল্ডার: মোইসেস কাইসেদো, আলান ফ্রাংকো, আলান মিন্দা, পেদ্রো ভিতে, জেরেমি আরেভালো, কেন্দ্রি পায়েজ, জর্দি আলসিভার, নিলসন আঙ্গুলো, অ্যান্থনি ভালেন্সিয়া, জন ইয়েবোয়া, দেনিল কাস্তিয়ো, গনজালো প্লাতা।
ফরোয়ার্ড: এনার ভালেন্সিয়া, কেভিন রদ্রিগেজ, জর্দি কাইসেদো, ইয়াইমার মেদিনা।