নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা আজ সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি। খাদ্য মানুষের মৌলিক চাহিদা হলেও বর্তমান বাজারে খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশ্রণের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফল, শাকসবজি, মাছ, গোশত থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যÑ অনেক ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে। অস্বাস্থ্যকর ও ভেজাল খাদ্য গ্রহণের ফলে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যদিও খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন ও তদারকি ব্যবস্থা বিদ্যমান, তবুও তার যথাযথ প্রয়োগের অভাব পরিলক্ষিত হয়। নিয়মিত বাজার তদারকি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম জোরদার এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা না থাকলে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব নয়। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। কৃষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান, মানসম্মত সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম পরিচালনা করা জরুরি। পাশাপাশি ভোক্তাদের মধ্যেও সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমের সক্রিয় ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। একটি সুস্থ জাতি গঠনের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
বাপ্পাদিত্য চৌধুরী প্রবাল
শিক্ষার্থী, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ।