১৯৭৯ সালের জিম্মি সংকটের উল্লেখ ট্রাম্পের

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কয়েক দশকের বিরোধের কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে ১৯৭৯ সালে তেহরানে মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনা উল্লেখ করেন, যেখানে ছাত্ররা ৫২ জন মার্কিন নাগরিককে ৪৪৪ দিন ধরে জিম্মি করে রেখেছিল। এ ছাড়া ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে বিভিন্ন হামলার জন্য তিনি ইরানকে দায়ী করেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানিদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সব জায়গায় বোমা পড়বে’। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের কাজ শেষ হলে আপনারা আপনাদের সরকারের দায়িত্ব বুঝে নিন। এটি আপনাদেরই হবে। সম্ভবত পরবর্তী কয়েক প্রজন্মের মধ্যে এটিই আপনাদের একমাত্র সুযোগ।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন দুজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানে বেশ কিছু লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করেছে। আকাশ ও সমুদ্রপথে এ অভিযানের পরিধি তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হওয়া যায়নি। তবে এক কর্মকর্তা জানান, এ অভিযান কয়েক দিন ধরে চলতে পারে।

তেহরানকে পারমাণবিক আলোচনায় নমনীয় করতে ট্রাম্প এ অঞ্চলে বিশাল মার্কিন সামরিক উপস্থিতি গড়ে তুলেছিলেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ‘ব্যাপক ও চলমান’ অভিযান শুরু করেছে।

তেহরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র বানাতে না পারে, তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনার একটি বড় বাধা ছিল। ট্রাম্প বলেন, ইরান দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি। তিনি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ইরানি শাসনের “আসন্ন হুমকি” নির্মূল করে মার্কিন জনগণকে রক্ষা করা।’



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews