লেখাপড়া শেষে অধ্যাপক হতে চায় দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী কৃষ্ণা। তাকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর থেকে আটক করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তার অভিযোগ, আটক করার সময় কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্য তাকে চুল ধরে টানাহেঁচড়া করেছেন।
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির প্রতিবাদে এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর ঘিরে কয়েক দিন ধরে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলন চলছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে এ আন্দোলন গড়ে উঠেছে। সারা দেশ থেকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লি আসছেন।
গত সোমবার বিক্ষোভকারীরা যন্তর মন্তর থেকে রাইসিনা মার্গ হয়ে লোকসভা ভবনের দিকে যাত্রা করেছিলেন। দিল্লি পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়, বেধড়ক লাঠিপেটা করে ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। সেখান থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়।
লোকসভা অভিমুখে মিছিল থেকে আটক হওয়ার ২৪ ঘণ্টার কম সময়ের মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আবার অনেক বিক্ষোভকারী যন্তর মন্তরে ফেরেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন আসেন সরাসরি থানা থেকেই। রাতে থানায় ছিলেন তাঁরা।