খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পাঁচ ভাই–বোনের মধ্যে রিয়াদ চতুর্থ। ২০২৪ সালের অক্টোবরে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন তিনি। গত ৭ এপ্রিল রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে রিয়াদসহ আরও অনেক বাংলাদেশি যোগ দেন। তাঁর ব্যাচ নম্বর ৭৩৫।
চাচাতো ভাই জহিরুল ইসলাম আরও জানান, ২৮ এপ্রিল রিয়াদ রশিদের সঙ্গে পরিবারের শেষ কথা হয়। রিয়াদ রশিদের লাশের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় তাঁরা কী করবেন কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না।
রিয়াদ রশিদের বাবা উপজেলার জাফরাবাদ উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আবদুর রশিদ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘সেনাবাহিনীতে যোগদানের কথা রিয়াদ আমাকে জানায়নি। জানলে আমি আমার ছেলেকে কখনোই যোগদান করতে দিতাম না। ছেলের লাশের সন্ধান পাচ্ছি না। ড্রোন হামলায় নাকি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। বাবা হিসেবে এ কষ্ট কেমন করে সহ্য করব?’