পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, এ নিয়ে দলের উচ্চপার্যায় সিদ্ধান্ত নেবেনে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর জিয়া উদ্যানে রাষ্ট্রায়ত্ত ১২ প্রতিষ্ঠানের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানদের নিয়ে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে ছাত্রদলের ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পদত্যাগকৃত রাষ্ট্রপতির বিচারের দাবির বিষয়টিও দলীয় সিদ্ধান্ত বলেও জানান তিনি। নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত চেয়ারম্যান সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবে বলেও আশা করেন রিজভী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের বিভিন্ন পর্যায়ের ত্যাগীদের মূল্যায়ন করছে বলেও দাবি করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া লাইফ সাপোর্টে

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর আগেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এখন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকবেন। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন জমে থাকা ক্ষোভ-হতাশার পর আশার আলো

মো. সাহাবুদ্দিনের প্রায় তিন বছরের দায়িত্বকাল ছিল দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল সময়। তার মেয়াদকালেই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল শেষ হলে অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই সময়ের মধ্যে তিনি তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান, যা দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা।