কিছু রাজনৈতিক বন্দীকে শাসকেরা ভয় পান, কারণ তাঁরা জীবিত। আবার কিছু শহীদকে শাসকেরা ভয় পান, কারণ তাঁরা মৃত। কিন্তু ইমরান খান পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর জন্য আরও বড় এক রাজনৈতিক সমস্যায় পরিণত হয়েছেন। তাঁর অস্তিত্বই বর্তমান ব্যবস্থাকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। আবার কারাগারে তাঁর মৃত্যু হলে সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠতে পারে।
ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং সামরিক ছাতার নিচে থাকা পাকিস্তানের দুই বংশানুক্রমিক রাজনৈতিক পরিবার (শরিফ ও ভুট্টো-জারদারি পরিবার) এখন এ সমস্যার মধ্যেই আটকে পড়েছে।
সর্বশেষ বড় ঘটনা হলো পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ৭৩ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে চিকিৎসার জন্য শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত তাঁর নিজের চিকিৎসককে মেডিকেল বোর্ডে রাখার নির্দেশও দিয়েছেন। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার কথাও বলেছেন।