ব্যাংকের নিজের কার্যালয়ের বাইরে পাঁচ তারকা হোটেলে এই সভা ডাকাই হয়েছিল আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংকটির মালিকানা হস্তান্তরের জন্য। এর আগেই অবশ্য এস আলম গ্রুপ বিভিন্ন নামে ব্যাংকের শেয়ারের বড় অংশ কিনে নেয়।
সভাটি আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছিলেন ডিজিএফআইয়ের তৎকালীন শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তা। সভার দিন সকালে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ডিজিএফআই কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনজনের পদত্যাগের বিষয়টি পরিচালনা পর্ষদকে জানানোর জন্য চেয়ারম্যানকে পাঠানো হয়। ব্যবস্থাপনা পরিচালককে আটকে রাখা হয়।
অন্য পরিচালকদের সবাই এসব কথা জানতেন না। পর্ষদ সভার স্থান পরিবর্তন ও পাঁচ তারকা হোটেলে তা আয়োজিত হওয়ায় কেউ কেউ ধারণা করছিলেন যে কিছু একটা হতে যাচ্ছে। সভায় ঢোকার আগে তাঁদের সবার মুঠোফোন নিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
ইসলামী ব্যাংক দখলের ভেতরের গল্পটি এভাবেই প্রথম আলোকে বলেছেন ব্যাংকটির তৎকালীন দুজন পরিচালক, দুজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়া এক ব্যক্তি। তাঁরা নাম প্রকাশ করতে চাননি।
পাঁচজন পরিচালক ও কর্মকর্তার এই বয়ানের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক, এস আলম গ্রুপসহ বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সূত্রের সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয়েছে ব্যাংক দখলের সেই কাহিনি।